ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-20

, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

মাদক বাণিজ্যে যুক্ত সমাজের প্রভাবশালী থেকে পুলিশ-প্রশাসনের অনেকে

প্রকাশিত: ০৮:৪৪ , ০৪ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:৩৩ , ০৪ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাদক বাণিজ্য দমনের জন্য আইনশৃক্সক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর লড়াইটা যেন চোর-পুলিশ খেলার মতো। মাদক ব্যবসায়ীরা নানা কৌশল আঁটে মাদকের পরিবহন ও বাণিজ্যের জন্য। সেসব কৌশল জেনে বুঝে যখন ধরার চেষ্টা করে পুলিশ, তখন মাদক বিক্রেতারা নতুন কৌশল করে। আবার পুলিশকে তা জানতে বুঝতে হয়। এভাবেই চলে আসছে প্রতিযোগিতা। এছাড়া মাদক বাণিজ্য দমনে দায়িত্বরত সংস্থাগুলোর আছে নানা সীমাবদ্ধতা।

পঞ্চাশোর্ধ এই নারী পাইকারী দামে মাদক বেচেন ঢাকার ভাষানটেক এলাকায়। কক্সবাজার, টেকনাফ এবং রাজশাহীর সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নিজেই নিয়ে আসেন মাদকের বড় বড় চালান। এ বানিজ্যের প্রতি পদেও জন্য আছে নানা কৌশল।

পাইকারদের কাছ থেকে নিয়ে যারা খুচরা মূল্যে মাদক বেচে, তাদের একই নেশাদ্রব্যের দাম এলাকাভেদে ভিন্ন হয়। কেননা এলাকা ভেদে রাজনৈতিক নেতা, মাস্তান, প্রশাসনের কর্মকর্তা বা অন্য প্রভাবশালী লোকদের ঘুষ ও চাঁদার পরিমান হয় ভিন্ন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আশেপাশের এলাকা, বিশেষ করে চাঁনখারপুল মাদক ব্যবসার জন্য পরিচিত বহুকাল ধরে। এখনও প্রকাশ্যে, পুলিশের চোখের সামনেই এই অবৈধ বানিজ্য চলে আসছে। মাদকের ব্যবহার তৈরি করে নতুন নতুন ঝুঁকি।  

মাদক নিয়ন্ত্রনের জন্য বিশেষভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আলাদা সরকারী দপ্তর রয়েছে। কিন্তু এই সংস্থার প্রধান নিজেই মনে করেন লোকবল আর প্রয়োজনীয় আয়োজন মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ভিষণ ভাবে অপ্রতুল।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is