ঢাকা, বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯, ৩ মাঘ ১৪২৫

2019-01-17

, ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০

বাড়ছে মাদকাসক্তের সংখ্যা, তৈরি করছে বহুমুখী সামাজিক সংকট

প্রকাশিত: ০৮:৪২ , ০৪ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:২৯ , ০৪ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাত্র ছেচল্লিশ বছর আগে দেশের স্বাধীনতার সময় জনসংখ্যা ছিলো সাড়ে সাত কোটি। সে সময়ের এক হিসাব বলছে, তখন দেশে মাদকসেবী ছিলো মোট জনসংখ্যার দশমিক পাঁচ শতাংশ। অর্থাৎ পৌনে চার লাখ মানুষ। আর বর্তমানে দেশে ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ কমবেশি মাদকাশক্ত, অর্থাৎ দেড় কোটির বেশি মানুষ। যার মধ্যে ভীষণভাবে মাদকাশক্ত ৪ শতাংশ।

দারুণ স্বচ্ছল, শিক্ষিত পরিবারের সন্তান এই তরুনেরা। রাজধানীর স্বনামখ্যাত বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। অথচ মাদকে ডুবিয়ে দিয়েছে তাদের তারুণ্য। ভাল-মন্দ বিবেচনার বোধশূণ্য হয়ে গেছে।

নেশার প্রভাবে স্বাভাবিক চিন্তাশক্তি লোপ পেয়েছে তাদের। তবে, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় হঠাৎ আসা কিছু চিন্তা বিষন্ন করে, কিন্তু মাদকের মায়াজাল থেকে বোরোনোর শক্তি হারিয়েছে তারা।

দেশে ২৬ টি দ্রব্যকে মাদক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মধ্যে মাত্র দেড় দশক আগে মিয়ানমার থেকে আসতে শুরু করা ইয়াবা দখল করে নিয়েছে সমাজের অর্ধেক মাদকাশক্তকে।

মাদকের বানিজ্যে যারা যুক্ত তাদের মূল লক্ষ্য তরুন-তরুনীরা। তাই স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিনত হয়। এছাড়া এলাকার তরুনদের আড্ডাস্থলকে মাদক বিক্রির, বিস্তুৃতির জন্য কাজে লাগায়। এজন্য আছে তাদের নানা কৌশল।

মাদকসেবীদের হাতে যারা নেশাদ্রব্য পৌছে দেয়, তারা এই বানিজ্যের সবচেয়ে নিু পর্যায়ের কর্মী। এদের হাতে যেসব মাদক পৌছায়, সেগুলো বহু হাত ঘুড়ে আসে। আর এসব অনেক হাতের পেছনে যেসকল মূল মাদক পাচারকারী ও ব্যবসায়ী থাকে তারা বরাবরই দৃশ্যের আড়ালে ক্ষমতাশালী, প্রভাবশালী। এসব ব্যাক্তিরা ধরা ছোয়ার বাইরে থাকে। তাদের সহযোগী হয়ে উঠে নানা বাহিনীর কিছূ সদস্য, যাদের মাদকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার দায়িত্ব।

রাজধানীর কোথাও কোথাও মধ্যরাতে মাদকের এমন বাঁধাহীন বানিজ্য চলে প্রকাশ্যে। খোদ পুলিশের নাকের ডগায়, যারা মাদকের বানিজ্য থেকে ব্যাক্তিগত সুবিধা নেয় এভাবেই।

 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is