ঢাকা, সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৬ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-18

, ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪০

মাদকের অন্ধকার জগতে যোগ হচ্ছে নতুন নতুন নেশা দ্রব্য

প্রকাশিত: ০৮:৪১ , ০৪ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:২৭ , ০৪ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিপজ্জনক জেনেও মাদকের ব্যবহার আদিকাল থেকেই হয়ে আসছে। একইভাবে মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইটাও বহু পুরনো। তারপরও কালক্রমে মাদকের বাণিজ্য আরও সংগঠিত এবং বিস্তৃত হয়েছে। মাদকবিরোধী সংগ্রামটাও হয়েছে আগের চেয়ে অনেক পরিকল্পিত। তবু সমাজে মাদকের ভয়বহ অগ্রাসী রূপ কমছে না, বরং নানা পরিসংখ্যান ও বাস্তবতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। তাই মাদক নিয়ে উদ্বেগ না কমে, বাড়ছে।

আদিতে নানা উদ্ভিদজাত পন্য থেকে নেশা করার চর্চার প্রচলন করে কিছু মানুষ। পৃথিবীর সব সমাজেই কমবেশি এমনটা ঘটে। তখনো মাদকের বানিজ্যিক উদ্যোগের চিন্তাভাবনা শুরু হয়নি। কালক্রমে দেশে দেশে নানা ধরনের মাদকদ্রব্য সংগঠিত ও পরিকল্পিত ভাবে তৈরির প্রচলন ঘটে। এই ভূখন্ডও তার থেকে ব্যতিক্রম নয়।

দেশে দীর্ঘকাল প্রকৃতি থেকে সংগৃহীত ভেষজ ও প্রানীজ উপাদান দিয়ে নেশার চল থাকলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা রকম মাদকের প্রচলন প্রভাবিত করে স্থানীয় সমাজকেও। ফলে, মাত্র তিন দশক আগে, অর্থাৎ আশির দশক থেকে হেরোইন, কোকেনের মতো ভয়াবহ নেশাদ্রব্য আশা শুরু করে। ফেনসিডিল ও প্যাথিড্রিন আড়াই দশক আগে মাদক হিসেবে বিপুল ভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে। যুক্ত হয় আরও নানা ধরনের নেশাদ্রব্য।

সময়ে সময়ে প্রচলন ঘটা নতুন মাদকদ্রব্য বানিজ্য পিছিয়ে দেয় পুরনো গুলোকে। যেমন মিয়ানমার থেকে পরিকল্পিতভাবে আসা ইয়াবা গত এক দশকে মাদকের অন্ধকার বাজারের সিংহভাগ দখল করে নিয়েছে।

এক সময় খোদ রাধানী ঢাকার হাতে গোনা কয়েকটি এলাকার কয়েকটি স্থানে মাদক বানিজ্য ও নেশাগ্রস্তদের আখড়া হিসেবে পরিচিত ছিল। সেটা যেমন সাধারণ মানুষ জানতো, তেমনি পুলিশেরও অজানা ছিলো না। এখন দেশব্যাপী এতটাই বি¯তৃত হয়েছে যে, ঘরের লোক, একসাথে চলা মানুষও বুঝতে পারেনা কে কখন কিভাবে নেশায় জড়িয়ে যাচ্ছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

কিছুতেই শৃঙ্খলা ফিরছে না সড়কে

নিজস্ব প্রতিবেদক: শৃংখলা শব্দটি যেন একদম বেমানান দেশের পরিবহন খাতে। সড়কে নিয়মনীতি মানার ও প্রতিষ্ঠার কোন চেষ্টাই নেই কারও। পরিবহন মালিক,...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is