ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-12-14

, ৫ রবিউস সানি ১৪৪০

টেলিফোন বোর্ডকে রাষ্ট্রীয় কোম্পানি করার পরও লোকশানে

প্রকাশিত: ১০:০৩ , ০৩ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:১৫ , ০৩ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোবাইল ফোন রাষ্ট্রীয় ল্যান্ডফোন পাবার হয়রানি থেকে মুক্তি দেয় দেশের মানুষকে। যার পরিণামে বছরের পর বছর ধরে লক্ষ লক্ষ গ্রাহক হারিয়েছে সরকারের টেলিফোন কর্তৃপক্ষ। তাদের সচল করতে বোর্ড বিলুপ্ত করে কোম্পানি করা হয়। কিন্তু কিছুতেই যেন আর দাঁড়াতে পারছে না রাষ্ট্রীয় টেলিফোন সেবা সংস্থাটি।  
নব্বই দশকের শুরুতে দেশে ল্যান্ডফোনের গ্রাহক ছিল প্রায় ত্রিশ লাখের মত। এক বছরের মধ্যেই এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় পঞ্চাশ লাখে। পর্যাপ্ত সংযোগ লাভের যাবতীয় সুযোগ থাকলেও সংযোগ পাওয়াকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে বিপুল দুর্নীতি। মাত্র সাড়ে চার হাজার টাকায় সংযোগ সেবা পাওয়ার কথা থাকলেও বহুগুন বেশি টাকা ব্যয় করতে হত ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে টেলিফোনের সংযোগ পেতে। সংযোগের বিষয়ে গ্রাহকদেরও ছিল নানা অভিযোগ।
নানান অনিয়মের মধ্যে ল্যান্ডফোনের চাহিদা উর্ধ্বমুখী থাকলেও ১৯৯৭ সালে দেশে বেসরকারি পর্যায়ে মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হয়। সহজলভ্য, বহনযোগ্য এবং ব্যবহারে সহজ হওয়ায় এর প্রতি মানুষের আকর্ষণও দিনে দিনে বাড়তে থাকে।
২০০৬ সালে দেশে ল্যান্ডফোন গ্রাহকের সংখ্যা কমে ১২ লাখে পৌছালেও একই বছরে নতুন সংযোগের জন্য টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ বোর্ডে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার আবেদন জমা পড়ে। তবে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে এই গ্রাহক ধরতে সক্ষম হয়নি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটি। নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে ২০০৮ সালে টেলিফোন বোর্ডকে কোম্পানী করা হলেও অবকাঠামোগত ও অভ্যন্তরীন সংকটের কারনে তেমন কার্যকর হয়নি প্রতিষ্ঠানটি।
দেশের রাষ্ট্রীয় টেলিফোন খাতকে পুনরায় সচল করতে বিটিসিএলকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দেন এই খাত সংশ্লিষ্টরা।  

 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is