ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-22

, ১১ মহাররম ১৪৪০

রাজত্ব হারিয়ে টিকে থাকার লড়াইয়ে রাষ্ট্রীয় টেলিফোন

প্রকাশিত: ০৯:৪৪ , ০৩ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:১৩ , ০৩ মে ২০১৮


নিজস্ব প্রতিবেদক: মাত্র দেড় দশক আগেও সোনার হরিণের মত ছিল রাষ্ট্রীয় টেলিফোন। যার সংযোগ পাবার প্রচেষ্টা যেন ছিল মরীচিকার পেছনে ছোটার মত। বিশাল অংকের অর্থ গুণনবার পরও ঘুষ দেয়া আর হয়রানির গল্প হয়েছিল নিত্যদিনের স্বাভাবিক ঘটনা। ল্যান্ডফোন নামের তারযুক্ত টেলিফোনের অস্তিত্ব এখন আর টেরই পাওয়া যায় না। তারহীন ও সহজলভ্য মোবাইল ফোন চুরমার করে দিয়েছে ল্যান্ডফোনের একচেটিয়া দম্ভ। আজও আছে টিকে, তবে কমছে ব্যবহার।

১৮৭৬ সালে মার্কিণ বিজ্ঞানী আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেল আবিষ্কার করেন টেলিফোন বা দূরালাপনী যন্ত্র যা ছিল বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে কয়েকগজ থেকে কয়েক হাজার মাইল দূরের মানুষের সাথে কথা বলার এক অভিবন যন্ত্র। ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র ইউরোপ জুড়ে।

ঠিক কাছাকাছি সময়ে ১৮৮২ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ভারতবর্ষের মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয় টেলিফোনের সাথে।

কলকাতা, বম্বে, মাদ্রাজ ও আহমেদাবাদে স্থাপন করা হয় ভারতবর্ষের প্রথম টেলিফোন এক্সচেঞ্জ যার ফলে বিদেশে কথা বলার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এই টেলিফোন এক্সচেঞ্জ স্থাপনের দায়িত্বে ছিল ইউরোপ ভিত্তিক ওরিয়েন্টাল টেলিফোন কোম্পানী। ভারত ভাগের পর পশ্চিম পাকিস্তানে টেলিফোনের বহুল প্রচলন থাকলেও ষাটের দশকের প্রথম ভাগে সেই সুবিধা পায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের জনগণ।

চাহিদা ও ব্যবহারের কথা বিবেচনায় এনে ১৯৬৫ সালে গঠন করা হয় ইস্ট পাকিস্তান টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ বোর্ড। সে সময় থেকে ধীরে ধীরে মানুষের হাতের নাগালে চলে আসে টেলিফোন সুবিধা।

দেশ স্বাধীনের পর পচাত্তরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতায় গঠন করা হয় বাংলাদেশ টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ বোর্ড। পরে ২০০৮ সালে তা রূপান্তরিত হয় বাংলাদেশ টেলিফোন কোম্পানী লিমিটেড- বিটিসিএল নামে, যা এখনো টিকে থাকলেও আর আগের মত আলোচনায় নেই।   

 

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is