ঢাকা, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯, ৭ বৈশাখ ১৪২৬

2019-04-19

, ১৩ শাবান ১৪৪০

মেক্সিকোর স্বর্গরাজ্য মায়ান সৈকত

প্রকাশিত: ০৬:১৬ , ০২ মে ২০১৮ আপডেট: ০৬:১৬ , ০২ মে ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: মেক্সিকোর ইউকাতান পেনিনসুলার একটি শহর তুলুম। ক্যারিবীয় উপকুল ঘেঁষা শহরটি বিশ্ব পর্যটকদের হাতছানি দেয়। সেখানকার সৈকত অপূর্ব সুন্দর। আরও আছে সেই মায়ান সভ্যতার এক বন্দর, যার নাম এল ক্যাস্টিলো। দুটো বা অন্ত একটি দিনও যদি সেখানে ঘুরে আসতে পারেন, তবে সেই স্মৃতি আজীবন ঠাঁই করে নেবে। এখানে তুলুম নিয়ে কিছু পরামর্শ।  

সকাল সকাল বেড়িয়ে পড়তে যেতে পারবেন স্থানীয় রংয়ের ছটা দেখতে। এখানকার হোটেল, রেস্টুরেন্ট বা ভবন সবই উজ্জ্বল। গোলাপি, নীল আর হলুদের অসাধারণ সমন্বয় উপভোগ্য হবে। এ কাজে সকালটাই সেরা সময়। কোনো খোলা রেস্টুরেন্টে বসে এক কাপ কফি খাওয়ার আনন্দ অন্য কোথাও মেলে না। সকালের নাস্তাও সারতে পারেন। সব খাবার দারুণ স্বাদের। 

আবহাওয়া যত গরমই থাক না কেন, মাউই এর নরম বালুর সৈকত আপনাকে অনাবিল শান্তি দেবে। তুলুুমের সৈকতে কেবলই আনন্দ আর শান্তি বিরাজ করে। এখানকার সাগরের পানি টলটলে। সৈকতে বাইক নিয়েও ঘুরে বেড়াতে পারবেন। আবার বাইক রেখে গাছপালায় ছেয়ে থাকা কোনো সরু পথে হারিয়ে যেতে মানা নেই। দেহ-মনের সব ক্লান্তি এই একদিনেই দূর হয়ে যাবে। 

সেখানে আছে গোপন সৈকত। এর কথা অবশ্য সবাই জানেন। কিন্তু গোপনেই তার অবস্থান। স্থানীয়রাও ওই গোপন সৈকতে আনন্দ করেন। তারা দারুণ বন্ধুসুলভ। সৈকতের পাশের ক্যাফেগুলো আপনার আনন্দে আরও রং চড়াবে। সেখান থেকে চলে যেতে পারেন সলিমান বে সৈকতে। 
ফ্যাশন সচেতনরা তুলুমে শপিং করতে পারবেন। হার্টউড রেস্টুরেন্টের কাছে গেলেই অনেকগুলো দোকান মিলবে। এগুলো ছোট-বড় বুটিক। নান্দনিক অলংকার, চামড়ার স্যান্ডেল আব শাল মিলবে সেখানে। 

তুলুম আসলে আপনাকে চমৎকার সময়ে ভরিয়ে দেবে। এখানে শুধু রংয়ের খেলা। এসবই মনটাকে উৎফুল্লাতায় পূর্ণ করার জন্যে। 

যারা বনে হারাতে চান তারাও হতাশ হন না তুলুমে। এই শহরটি মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। একটি দিক সৈকতের। আরেকটি বনের। সেখানে আপ্যায়নের ব্যবস্থা আছে। অতিথির সম্মান পাবেন। ছাদখোলা রসুঁই ঘর আর মুখরোচক খাবার। সেখানে ঐতিহ্যবাহী মায়ান খাবার সরবরাহ করা হয়। 
সৈকতের ধারে ইয়োগার মাধ্যমে স্বাস্থ্যের বাড়তি যতœ নিতে পারেন। ইয়োগার জন্যে বেশ কয়েকটি স্টুডিও আছে।  

ইউকাতান পেনিনসুলা কিন্তু ছোট ছোট গুহায় ভর্তি। এসব গুহার ভেতরে সাঁতরাতে পারবেন। এক অনন্য অভিজ্ঞতা লাভ করবেন। এই গুহাগুলো ছোট থেকে বিশাল আকৃতিরও হয়ে থাকে। এন্ট্রি ফি দিয়ে নিশ্চিন্তে ঢুকে যান গুহাগুলোতে।

এই বিভাগের আরো খবর

রূপ বৈচিত্রে ভরপুর ভাটিয়ারী লেক

ডেস্ক প্রতিবেদন: চট্টগ্রাম সিটি গেট থেকে মাত্র ২০ মিনিটের দূরত্বে ভাটিয়ারী লেক অবস্থিত। পাহাড়ের পাদদেশে জমে থাকা পানি থেকে সৃষ্ট রূপ...

আধুনিক হচ্ছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: বদলে যেতে শুরু করেছে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। আধুনিক ও বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে এই...

দেখে আসুন বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার

ডেস্ক প্রতিবেদন: ইরানের বিখ্যাত পার্সিয়ান সুফি বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার চট্টগ্রামের নাসিরাবাদের পাহাড়ের উপর অবস্থিত। ১৮৩১ সালে পাহাড়ের...

দৃষ্টিনন্দন হাতিরঝিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরবাসীর বিনোদনের মনোরম এক কেন্দ্র হয়ে উঠেছে হাতিরঝিল। পরিবেশ ও নান্দনিকতায় খুব সহজেই নগরবাসীর মনে জায়গা করে নিয়েছে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is