ঢাকা, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৮ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-20

, ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪০

আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও মানদণ্ড থেকে নার্সিং অনেক পিছিয়ে

প্রকাশিত: ১০:০৭ , ০২ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:১৮ , ০২ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাস্থ্যসেবা খাতে নার্সের প্রয়োজনীতার মানদন্ড স্থির করা আছে আন্তর্জাতিকভাবে। সেই মানদন্ডের সঙ্গে দেশের বাস্তবতা মেলালে দারুণ হতাশার চিত্র ফুটে ওঠে। এজন্য নার্সিং পেশার প্রতি অবহেলিত দৃষ্টিভঙ্গিকে দায়ী করেন সংশ্লিষ্ট অনেকে।

বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা- হু’ এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী একটি হাসপাতালের প্রতিটা বিছানার জন্য একজন ডাক্তার, তিনজন নার্স আর পাঁচজন অন্যান্য সেবাদানকারি ব্যক্তি থাকতে হবে। এই হিসেব বিশ্বের সবার জন্য একইরকম। অথচ দেশে নার্স আছে ৪৬ হাজার, যা ডাক্তারের সংখ্যার অর্ধেকের কম। এর মধ্যে ২৮ হাজার নার্স সরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে কাজ করছেন। বাকিরা বেসরকারি খাতে। এদিকে, দেশে ডাক্তার আছে ৯০ হাজার। বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার মতে, ডাক্তার নার্সের আনুপাতিক হার ঠিক করতে দেশে এখন তিন লাখ নার্স প্রয়োজন। অর্থাৎ আড়াই লাখ নার্সের ঘাটতি রয়েছে।

সেই শুরু থেকেই মানুষের মধ্যে সাধারন একটা ধারনা, নার্সিং পেশা মুলত মেয়েদের জন্য। বাস্তবেও  ঘটেছে তাই। স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত দেশে এ পেশায় কোনো ছেলে ছিলোনা। ৭১’ এর পর মেয়ে নার্সদের সহায়তায় হাতে গোনা দুশ’ আড়াইশ’ ছেলে নার্সিং এ কাজ শুরু করে। এর অনেক পর ৯২ সালে ১০ ভাগ পুরুষ নার্স নিয়োগ দেয় সরকার। বর্তমানে সরকারি কোটায় ১০ ভাগ আর বেসরকারিভাবে ২০ ভাগ পুরুষ নার্স কাজ করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নার্সিং পেশার প্রতি কিছুটা উদাসিনতার কারনেই বছরের পর পর এ খাতে নিয়োগ বন্ধ ছিলো। তবে, এখন যে পরিমান রোগী বাড়ছে সে তুলনায় নার্স না বাড়ায় সাধারন মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। যা চিকিৎসা সেবার জন্য হুমকীস্বরূপ।

স্বাস্থ্যখাতের পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, একমাত্র সরকারের স্বদিচ্ছা পারে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে নার্সের সংকট কমাতে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

কিছুতেই শৃঙ্খলা ফিরছে না সড়কে

নিজস্ব প্রতিবেদক: শৃংখলা শব্দটি যেন একদম বেমানান দেশের পরিবহন খাতে। সড়কে নিয়মনীতি মানার ও প্রতিষ্ঠার কোন চেষ্টাই নেই কারও। পরিবহন মালিক,...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is