ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-19

, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

দেশের স্বাস্থ্য খাতে নার্সিংয়ের গুরুত্ব এখনো কম

প্রকাশিত: ১০:০৬ , ০২ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:১৭ , ০২ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাস্থ্য বা চিকিৎসা সেবার প্রসঙ্গ উঠলেই সবসময় আলোচনায় উঠে আসে চিকিৎসকরা। অথচ এ সেবামূলক পেশায় নার্সদের গুরুত্ব কোনো অংশে কম নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে বেশি। অথচ এই খাত পিছিয়ে আছে অনেক। নার্সিং পেশা নিয়ে আছে দৃষ্টিভঙ্গির সমস্যা এবং নানা জটিলতা।

অসুস্থদের জন্য নার্সিংয়ের ধারণাটি প্রায় পৌনে দুইশ’ বছরের। এর প্রবর্তন করেন ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল নামে এক নারী। যার জন্ম ইটালি শহরে। ১৮৫৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি যুদ্ধাহত মানুষের সাহায্যে আলোকবর্তিকার মত কাজ করেছিলেন। নিরলসভাবে যুদ্ধে আহত সৈনিকদের পাশে থেকে তাদের সেবা করেছেন যেন দ্রুত সুস্থ্য হয়ে ওঠে যুদ্ধাহতরা। সেই থেকেই বিশ্বে নার্সিং ধারণার প্রবর্তন ঘটে।

নার্সিং দেশে আনুষ্ঠানিভাবে পেশার রূপ পেতে শুরু করে ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় থেকে। সেই সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজের চারজন ছাত্রী সরকারের সহযোগিতায় লন্ডন থেকে নার্সিং এর উপর  পড়ালেখা করে আসে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে যোগ দেন নার্সিং পেশায়।  জোহরা বানু, রহিমা খাতুন, শাহজাদি হারুন এবং আক্তার বানু-এই চারজনই হলেন দেশের প্রথম নার্স। সেই থেকে নার্সিং পেশা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাওয়া শুরু করে।

সারাবিশ্বে স্বাস্থ্যখাতে নার্সিং পেশার গুরুত্ব বিপুল। একজন ডাক্তারের চেয়ে কোনো অংশেই নার্সিং পেশাকে কম গুরুত্ব দেয়া হয়না উন্নত দেশে। বরং ক্ষেত্র বিশেষে কিছুটা বেশিই গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট এখনও তেমন নয়।

স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট অনেকের মতে, দেশের নার্সিং পেশা এতটাই পিছিয়ে যে তা এখনও স্বাস্থ্যসেবায় উন্নত দেশগুলোর সাথে তুলনার পর্যায়েই যায়নি।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is