ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-21

, ১০ মহাররম ১৪৪০

খেলাপী ঋণ সংস্কৃতি রোধে প্রচলিত আইনি ব্যবস্থা অপ্রতুল

প্রকাশিত: ১০:০৬ , ০১ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:২৬ , ০১ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদ্যমান আইনের সীমাবদ্ধতার কারণে খেলাপী ঋণ আদায় অনেকটাই অসম্ভব। বিচারের মাধ্যমে খেলাপীর শাস্তি নিশ্চিতের খবর বিরল। দুর্বল আইন আর মামলার দীর্ঘসূত্রতার সুযোগে দিব্যি আছে খেলাপীরা। খেলাপীদের বিচারের জন্য আলাদা বিচারিক আদালত ও বিশেষ আইন করার পরামর্শ দিয়েছে সাবেক ব্যাংকার, গভর্নর, গবেষকরা।
 
সোনালী, বেসিক, অগ্রনী, জনতা, সর্বশেষ ফার্মারস ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ কেলেংকারির সাথে ড়তদের বিচার এখনও অনিশ্চিত। সর্বশেষ গত ১৭ এপ্রিল বেসরকারী অরিয়েন্টাল ব্যাংকের ঋণ কেলেংকারির দ্বায়ে ৬ ব্যাংক কর্মকর্তা ও এক ঋণ গ্রহীতাকে ঢাকার এক আদালত ১৭ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছে। ব্যাংকটি থেকে ৩৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগে ২০০৬ সালে বিভিন্ন থানায় মোট ৩৪টি মামলা দায়ের করে দুদক।

সাবেক গভর্নর, ব্যাংকার ও গবেষকরা বলছেন, নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত ঋণ খেলাপীর দায়ে বিচারে চূড়ান্ত ভাবে শাস্তি হয়েছে এমন নজির বিরল। বর্তমান আইন ঋণ খেলাপীদের বিচারের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। বিচারের জন্য প্রয়োজন আলাদা বিচারিক আদালত ও বিশেষ আইন।

খেলাপীরা ঋণ গ্রহণের সময় জামানত হিসেবে যেসব সম্পদ ব্যাংকে বন্দক রাখে তার অধিকাংশই ভূয়া, বিরোধপূর্ণ, আর অপর্যাপ্ত। অন্যদিকে যেই প্রকল্পে ঋণের অর্থ ব্যয় হবে তা কতটা লাভজনক তাও দেখে না ঋণ প্রদানকারী সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। ফলে খেলাপী হয়ে গেলে ঋণ আদায়ের ভবিষৎও হয়ে পড়ে অনিশ্চিত।

আবার ব্যাংকের দায়ের করা মামলার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করে পুনরায় ঋণ পাচ্ছে খেলাপীরা। একদিকে খেলাপীরা সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে আসছে অন্যদিকে যেসব কর্মকর্তা খেলাপীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে তাদেরই চাকরী হুমকীর মুখে পড়েছে বলে অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তারা ।

গবেষকরা বলছেন, সরকার চাইলেই দুই বছরের মধ্যেই খেলাপী সংস্কৃতি দুঃখজনক বাস্তবত্ পাল্টে দিতে পারে। সেজন্য থাকতে হবে রাজনৈতিক অঙ্গিকার। নয়ত দেশের আর্থিক অবস্থা পড়বে বিপর্যয়ের মুখে এমন আশঙ্কা বিশেষজ্ঞরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is