ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-17

, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের সমন্বিত ব্যর্থতায় বাড়ছে খেলাপী ঋণ

প্রকাশিত: ০৯:৫৯ , ০১ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:২৫ , ০১ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঋণ প্রদান যে কোন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সিদ্ধান্তের বিষয়। কিন্তু বাংলাদেশ একমাত্র রাষ্ট্র যেখানে আইন ভঙ্গ করে অধিকাংশ ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ ঋণ প্রদানের বিষয়টি নির্ধারণ করে। পর্ষদের মৌখিক নির্দেশের মাধ্যমে তা হয় বলে কাগজে কলমে ধরার কোন সুযোগ থাকে না বলে জানান, সাবেক ব্যাংকার ও বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বাণিজ্যিক ব্যাংক, তাদের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের সমন্বিত ব্যর্থতায় বাড়ছে খেলাপী ঋণ। যার কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ আমানতকারী এবং বিনিয়োগ পরিস্থিতি।

উদ্যোক্তার পুঁজিতে সব ব্যবসা শুরু হলেও ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে তা ভিন্ন। উদ্যোক্তার নিজস্ব মূলধন থাকে ১০ শতাংশ আর বাকী ৯০ শতাংশই থাকে ব্যাংকের সাধারণ আমানতকারীদের। ফলে কার্যত ব্যাংকের মালিক আমানতকারীরা। ফলে ব্যাংক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা বহন করতে হয় ওই ব্যাংকের আমানতকারীদের।

ব্যাংকগুলোর ঋণের অর্থ ফিরে না আসলে মূলধনের ঘাটতি হয়। তখন বিনিয়োগের জন্য ঋণ সংকট দেখা দেয়, ফলে ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়ায়। শেষ পর্যায়ে বেড়ে যায় উৎপাদন খরচ। এতে একদিকে বাড়ে দ্রব্যমূল্যের দাম অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিনিয়োগ। বর্তমানে এমন পরিস্থিতি চলছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আইন অনুযায়ী কোন ব্যাংকের ঋণ প্রদানের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিষয়। কিন্তু দেশে আইন ভঙ্গ করে অধিকাংশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ব্যবস্থাপকদের মৌখিক নির্দেশের মাধ্যমে ঋণ দেয়ার বিষয়টি নির্ধারণ করে। এভাবে পরিচালকরা কিংবা ব্যাংকের উদ্যোক্তারাই ব্যাংকের অর্থ তুলে নিচ্ছে ভূয়া ও নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে। রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকেই সবচেয়ে বেশি খেলাপী ঋণ। ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় এমন পরিনতি।

ঋণ খেলাপীর শীর্ষস্থানে বস্ত্র ও পোশাক খাত। দ্বিতীয় এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি আর তৃতীয় জাহাজ প্রস্ততকারী খাত। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ খেলাপী তালিকা অনুযায়ী শীর্ষ ২৫ খেলাপীর হাতে আটকে আছে সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is