ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-20

, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

অপরাজনীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে গড়ে উঠেছে খেলাপী ঋণের সংস্কৃতি

প্রকাশিত: ০৯:৫৮ , ০১ মে ২০১৮ আপডেট: ১১:২৪ , ০১ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : খেলাপী ঋণের সংস্কৃতি বেশ পুরোনো। অপরাজনীতির সুযোগে গড়ে উঠা এ অপচর্চা বাড়ছে বই কমছে না। একটি সুস্থ অর্থনীতিতে খেলাপী ঋণ ব্যাংকের মোট বিতরণ করা ঋণের ৩ শতাংশের নিচে থাকে। যেখানে বাংলাদেশে রয়েছে ১০ শতাংশ।

নির্দিষ্ট সুদে ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে পরিশোধের শর্তে ঋণ দেয়। অর্থ সময়মত পরিশোধ না করে বছরের পর বছর ফেলে রাখা হলে খেলাপী ঋণে পরিনত হয়। একসময় এই সংস্কৃতি না থাকলেও বাংলাদেশে অসুস্থ রাজনৈতিক চর্চার উপর ভর করে গড়ে উঠেছে খেলাপী ঋণের সংস্কৃতি।

৭৫’র পর সকল প্রতিষ্ঠান বিরাষ্ট্রীয়করণ করা হলে একে একে গড়ে উঠতে থাকে বেসরকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। সেই সময়ে দেশের রাজনীতিতেও আসে নেতিবাচক পরিবর্তন। তখন থেকেই রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় প্রবর্তন ঘটে খেলাপী ঋণের সংস্কৃতি। দ্বিতীয় শামরিক শাসক এরশাদের সময় সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌছায় খেলাপী ঋণ।

এরপর বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে ব্যাংকিং খাতে সংস্কারের ফলে খেলাপী ঋণের পরিমান কমে আসলেও গত ৮ বছর ধরে আবার বাড়তে শুরু করে। সরকারী তথ্যমতে, বাংলাদেশে বর্তমানে খেলাপী ঋণের পরিমান ৮৫ হাজার কোটি টাকা। তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই তথ্য পুরোপুরি সত্য নয়। কারন প্রতিবছর পুনঃতফসিলের মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের টাকা খেলাপী ঋণের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হচ্ছে। যা প্রকৃতপক্ষে অনাদায়ী থাকছে।

৮০’র দশকে খেলাপী ঋণ ছিল ব্যাংকিং খাতে মোট বিতরণকৃত ঋণের ৪০ শতাংশ। বর্তমানে খেলাপী ঋণ ১০ শতাংশ। একটি সুস্থ অর্থনীতিতে খেলাপী ঋণ থাকে ৩ শতাংশের নিচে। এশিয়ার মধ্যে সকল দেশেরই খেলাপী ঋণ ৩ শতাংশের নিচে রয়েছে সেখানে কেবল ব্যতিক্রম বাংলাদেশ, ভারত আর পাকিস্তান।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is