ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-19

, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

হাতিয়ায় নদী ভাঙ্গনে গৃহহীন শত শত পরিবার

প্রকাশিত: ০৯:৪২ , ১৩ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ০৯:২৪ , ১৩ এপ্রিল ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রমত্তা মেঘনা আর বঙ্গোপসাগরের বিশাল জলরাশির প্রচণ্ড দাপটে ভাঙ্গাগড়ার খেলায় ভালো নেই হাতিয়া দ্বীপের মানুষ। নদী ভাঙ্গনের কারণে গৃহহীন শত শত পরিবার। বছর বছর বাস্তুভিটা বদল করতে হয় দ্বীপবাসীর। কারো বসতভিটা ২০ বার পর্যন্ত বিলীন হয়েছে নদী ও সাগর গর্ভে। ভাঙ্গন রোধে নদীতীরে বাঁধ না থাকায় বছরজুড়েই বসতবাড়ি হারানোর আতংকে থাকেন এই দ্বীপের ৫ লক্ষাধিক বাসিন্দা।

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে মেঘনা নদীর মোহনায় মূল ভূখন্ড থেকে বিছিন্ন একটি দ্বীপ হাতিয়া। নোয়াখালীর একটি উপজেলা এই দ্বীপ। যাকে ঘিরে খেলা করে প্রমত্তা মেঘনা আর বঙ্গোপসারের প্রবল জলরাশি। প্রায় দেড়হাজার বর্গ কিলোমিটারের এই দ্বীপ নয়নভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর হলেও ৫ লক্ষাধিক দ্বীপবাসীর তা উপভোগ করার ফুরসুৎ নেই।

মূল ভূ-খন্ড থেকে হাতিয়া যাওয়ার একমাত্র ভরসা ইঞ্জিনচালিত বড় নৌকা বা ট্রলার। সন্ধ্যার পর এবং আবহাওয়া বিরূপ হলে তাও বন্ধ হয়ে যায়। বিছিন্ন এ উপজেলার প্রবেশদ্বার নলচিরা ঘাট। নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে বার বার ঘাটের জায়গা যেমন বদল হয়, তেমনি বসতভিটা হারান বহু পরিবার।


নদীর ভাঙ্গাগড়ার সাথে সাথে ভাগ্যলিপি বদলায় এখানকার মানুষের। টিকে থাকতে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয় প্রকৃতির সাথে। ঘন ঘন বদল হয় বসতভিটা। নদী ভাঙ্গনের সাথে ভাঙ্গে দ্বীপবাসীর স্বপ্নও।

এই ভাঙ্গাগড়া থেকে রক্ষা করতে মেঘনার তীরে বাঁ নির্মাণের দাবি দ্বীপবাসীর দির্ঘদিনের।
নদী ভাঙ্গনরোধ করা গেলে সৌন্দর্যময় এই দ্বীপবাসীর জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পেরও উন্নতি হবে বলে মনে করেন উপজেলা চেয়ারম্যান।


এরইমধ্যে সরকার কিছু উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানান স্থানীয় এই জনপ্রতিনিধি।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ঝালকাঠির আটঘরে জমে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় নৌকারহাট

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: বর্ষা মৌসুমে ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলার সীমান্তবর্তী আটঘরে জমে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় নৌকারহাট। স্থানীয়ভাবে...

গ্যাস বেলুনে হিলিয়ামের পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে হাইড্রোজেন গ্যাস

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিপজ্জনক ও বিস্ফোরক হাইড্রোজেন গ্যাস দিয়ে বেলুন ফুলিয়ে উড়ানো হচ্ছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। নানা উৎসবে শিশুদের হাতে হাতে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is