ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-16

, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

বৈশাখ উৎসবকে ঘিরে বাণিজ্য বাড়ছে পোশাক শিল্পের

প্রকাশিত: ০৮:৪৯ , ০৭ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ০২:৩৬ , ০৭ এপ্রিল ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতি পহেলা বৈশাখ চাই নতুন পোশাক, নতুন সাজ। এই চাহিদার সাজে সাজাতে জামা তৈরির উদ্যোক্তাদের আয়োজনের কমতি থাকে না। প্রতিবছরই যেন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাজ পোশাক তৈরির এই আয়োজন। তবে বৈশাখের পোশাক তৈরির ক্ষেত্রে দেশীয় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকেই বেশি  প্রাধান্য দেয়া হয় বলে জানান নকশাকারীরা।

নতুন বছর, নতুন দিন তাই, পোশাকটাও হওয়া চাই নতুন। আর উৎসবটা যেহেতু নিজের সংস্কৃতির তাই শাড়ী, পাঞ্চাবী, কাচের চুড়ি, কপালে টিপ আর খোঁপায় গোজা ফুলের মালা না হলে যেন চলেই না।  ধনী দরিদ্র থেকে শুরু করে সব বয়সের সব মানুষই নতুন পোশাক কিনতে চায় এই উৎসবে।

বাজার ঘুরে ঘুরে নিজের পছন্দের পোশাকের সাথে মিলিয়ে বাহারী সব গহনা ও প্রসাধনী কেনার ধুম পড়ে যায় বৈশাখী উৎসবের অনেক আগে থেকেই। যেহেতু বর্ষবরণের এই উৎসবটা সার্বজনীন তাই সবার রুচি ও চাহিদা রেখে বাজারে পন্য আনা হয়। দেশীয় নকশার পোশাককেই বেশি প্রধান্য দেয়া হয় বলেও জানান তারা।

সব বয়স ও শ্রেনী পেশার মানুষের কথা মাথায় রেখে দেশীয় বুটিকসগুলোও মেতে উঠেন বাহারী পরিকল্পনা নিয়ে। পহেলা বৈশাখের এই উৎসব মাথায় রেখে সারা বছর জুড়ে চলে তাদের পরিকল্পনা। আর বাহারী পোশাকের কর্মযজ্ঞও শুরু হয় বৈশাখের কয়েক মাস আগে থেকে। বছরের নিয়মিত সময়গুলোর চাইতে অনেক বেশি বিনিয়োগ ও ব্যাস্ততাও বাড়ে এই সময়ে।

ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে দেয়া হয় ছোট পরিসরে নানা ধরনের ছাড়। আয়োজন করার হয় ফ্যাশন শো। এছাড়া পাড়া মহল্লাতেও আয়োজন করে বৈশাখী পোশাকের মেলা। ঘুড়ে ঘুরে উৎসবের পোশাক কেনার মধ্যে অন্যরকম আনন্দ পান ক্রেতারা।

খাজনা আদায় থেকে যে উৎসবের শুরু হয়েছিল তার ব্যাপ্তি এখন দেশের সর্বত্র। উৎসব পালনের প্রথাতে যুক্ত হয়েছে অনেক নতুন অনুসঙ্গ এবং বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি, তবে সময়ের বিবর্তনের ধারায়।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is