ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-20

, ৯ মহাররম ১৪৪০

বাংলা নববর্ষ বরণের প্রস্তুতি এখন দেশজুড়ে

প্রকাশিত: ০৮:৪১ , ০৭ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ০২:৩৫ , ০৭ এপ্রিল ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশজুড়ে সবার উৎসবের মাস এখন। বাংলা চলতি বছর শেষে শুরু হবে নতুন সাল ১৪২৫। প্রতি খ্রিস্টবর্ষের ১৪ এপ্রিল এখানে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব। এর ব্যাপকতা ও বৈচিত্র্য বেড়েছে। তাই উৎসব আয়োজনে চলে দীর্ঘ প্রস্তুতি।

দেশে বাংলা পঞ্জিকার তেমন আনুষ্ঠানিক ব্যবহার না থাকলেও বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নেবার উৎসবটা কিন্তু ব্যাপক আকারেই আয়োজন করে দেশবাসী। বর্ষবরণের এই উপলক্ষ্যকে কেন্দ্র করে, রাজধানীসহ সারা দেশের সব জনপদে সার্বজনীন সাংস্কৃতিক উৎসবের স্ফুরন ঘটে, যেখানে  এক সাথে মেতে উঠে কৃষক, কামার, কুমার থেকে শুরু করে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ।

উৎসবের ব্যাপকতা ও বৈচিত্রের কারনে আয়োজনটা শুরু হয় অনেক আগে থেকে। পুরো আয়োজন জুড়েই থাকে বাঙ্গালী সংস্কৃতির সব অনুসঙ্গ।  নানা কুটির শিল্প, খাবার দাবার, পোশাক পরিচ্ছদ তৈরির যেমন ধুম পড়ে যায় তেমনি বাঙ্গালী সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী পুতুল নাচ, যাত্রাপালা, লাঠি খেলা, নৌকাবাইচ লোকগান, পালাগানের প্রস্তুতি চলে পুরো দমে। নতুন বছরকে বরণ করে নেবার উৎসব আয়োজনের ধুম পড়ে যায়। এই উৎসবেই নানা আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে একই সাথে যোগ দেয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষেরাও।

বাংলা বর্ষবরন সার্বজনীন উৎসবের শুরু খাজনা আদায় থেকে। সম্রাট আকবরের আমলে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের প্রথা চালু হয় বলে প্রচলিত ধারনা রয়েছে। তখন গ্রামের মানুষ চৈত্র্য মাসের শেষ দিন সব খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতো, পর দিন পহেলা বৈশাখে গ্রামের প্রতিবেশিদের মিষ্টিমুখ করিয়ে আপ্যায়ণ করতো। আয়োজন করা হতো বিভিন্ন চিরায়ত গ্রামীণ বাঙলী উৎসবের। যার রুপ পরিবর্তন হয়ে বর্তমানের সামাজিক সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

৫৬ হাজার বর্গ মাইলের এই জনপদে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে গ্রামের হত দরিদ্র মানুষ থেকে শুরু করে গণ্যমান্য বিত্তশালী ব্যক্তিরাও এই উৎসবের অংশীদার হয়ে উঠে। এই উৎসব এখন দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার বিষয়।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is