ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-21

, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

অস্তিত্বের সংকটে ছোট বস্ত্র কারখানা

প্রকাশিত: ১০:১৯ , ০৬ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ১০:১৮ , ০৮ এপ্রিল ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বস্ত্র শিল্প অভ্যন্তরীণ চাহিদা শতভাগ মেটাতে সক্ষম হলেও ভারত, পাকিস্তান আর চায়নার কাপড়ে সয়লাব দেশের বাজার। স্থলসীমান্ত দিয়ে অবৈধপথে এবং ১৭টি সীমান্ত হাটের মাধ্যমে আসা এসব কাপড় অভ্যন্তরীণ বাজার দখল করে রেখেছে। এতে দেশি ছোট ছোট বস্ত্র কারখানাগুলো অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ করা বস্ত্রের উৎপাদন ৫০ শতাংশ কমে গেছে।

স্থানীয় বাজারে চলছে ভারত,পাকিস্তান আর চীনের কাপড়ের বাহারী প্রদর্শনী। সেখানে দেশীয় বস্ত্র অনেকটাই ম্লান। দেশী কাপড়ের বাজারে মধ্য ও নিুমধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ভীড় একটু কম। সকলের না হলেও বেশিসংখ্যক ক্রেতাদের নজর ভারতীয় কাপড়ের প্রতি ।

ব্যবসা মন্দা তাই দেশী কাপড় ব্যবসায়ীরা অনেকটা হতাশ। ব্যবসায়ীরা বলছেন গত দুই বছর ধরেই দেশীয় বাজারে ভারতীয় কাপড়ে সয়লাব। ক্রেতার মানসিকাতার কারনে অনেক বিক্রেতাই বলছেন, অনেক সময় দেশীয় কাপড়ের পরিচয় পাল্টে বিক্রি করছেন তারা।

বাজারের এই অবস্থার প্রমান মেলে দেশী কাপড় প্রস্তুতের প্রসিদ্ধ নরসিংদির কাপড় পল্লীগুলোতে। ভরা মৌসুমেও কাপড়ের বুনন থেমে গেছে। অনেকে ধুঁকে ধুঁকে চলছে। কাজ হারাচ্ছে বহু শ্রমিক।

কাপড় প্রস্তুতকারকরা বলছেন, নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থাগুলোর নিস্ক্রিয় ভূমিকায় একদিকে যেমন চোরাই পথে ঢুকছে ভারতীয় কাপড়। অন্যদিকে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ১৭টি বর্ডার হাটে আসা কাপড় রাজধানীসহ সারা দেশে ঢুকছে। উৎপাদকরা বলছেন, মধ্যসত্বভোগকারীদের দৌরাতওে¡ অস্থিতিশীল সুতার বাজার। আর ভ্যাট-ট্যাক্স মিলিয়ে যে খরচ পড়ে তা দিয়ে বিদেশী কাপড়ের সাথে প্রতিযোগীতা করতে পারছে না দেশের কাপড়।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is