ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-21

, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

চীন-ভারত-পাকিস্তানের কাপড়ে সয়লাব বাজার

প্রকাশিত: ১০:১৫ , ০৬ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ১০:১৬ , ০৮ এপ্রিল ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বস্ত্রখাতের প্রধান কাঁচামাল তুলা। প্রায় শতভাগই আমদানি নির্ভর। বস্ত্রখাতে তুলা আমদানির জন্য বছরে ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা দেশের বাইরে চলে যায়। উদ্যোক্তারা বলছেন, এক লাখ বেল তুলা উৎপাদন সম্ভব হলে বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশের ভেতরেই থেকে যাবে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়া গুণগত মানের তুলা উৎপাদনের জন্য এখনও উপযোগী নয়; তবে আবহাওয়া উপযোগী তুলা চাষের জন্য গবেষণা চলছে।

বস্ত্র প্রস্তুতের প্রধান কাঁচামাল তুলা। যার প্রায় পুরোটাই আমদানী করতে হয়। এর জন্য প্রতি বছর বিপুল অংকের টাকা দেশের বাইরে চলে যায়। বাংলাদেশ তুলা আমদানিতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। এ জন্য প্রতি বছর দেশ থেকে প্রায় বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্পের শক্ত প্রতিযোগী ভারত, চীন, ভিয়েতনাম; যাদের রয়েছে নিজস্ব তুলা। ফলে সে সব দেশের বস্ত্রের উৎপাদন খরচ কম। বস্ত্র উৎপাদকরা বলছেন, এই তুলার দুই শতাংশও যদি দেশের ভেতরে উৎপাদন করা যেত তাহলে বছরে ৪ হাজার কোটি টাকা দেশের ভেতরেই থেকে যেত। বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগীতায় সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতো বাংলাদেশ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, তুলার বিকল্প হিসেবে পাটের ব্যবহার এখনও গবেষণা সাপেক্ষ ব্যাপার। অন্যদিকে, যথেষ্ট সম্ভনা থাকার পরও রেশম উৎপাদনে ব্যর্থ হয়েছে রেশম বোর্ড। ফলে বিশ্বে বস্ত্র শিল্পের বিশাল বাজার বাংলাদেশের অনুকূলে আনতে প্রধান কাঁচামালের আমদানী নির্ভরতা কমাতে হবে।

কৃষিবিদ ও বিজ্ঞানীরা বলছেন, বাংলাদেশের অর্ধেক ভূ-খন্ড জুড়ে তুলা চাষের সম্ভবনা রয়েছে। এজন্য চরাঞ্চল, ম্যানগ্রভাঞ্চল, বরেন্দ্র অঞ্চল ও তিন পার্বত্য অঞ্চলে তুলা চাষ সফল করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড।

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তুলা চাষ হচ্ছে ব্যক্তি ও সরকারী পর্যায়ে। বিজ্ঞানীদের মতে,  তুলার ফুল ফোঁটার সময় ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারী; যখন তাপমাত্রার প্রয়োজন ২৫ থেকে ৩৫ ডিগ্রি কিন্তু এই সময় বাংলাদেশের শীতকাল যখন তাপমাত্রা ২০,১৫ এমনকি কথনও ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে যায়।  

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is