ঢাকা, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-18

, ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

তুলা আমদানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকা যায় বিদেশে

প্রকাশিত: ১০:১১ , ০৬ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ১০:১৪ , ০৮ এপ্রিল ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিক থেকে বস্ত্র শিল্প দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত। যার উপর ভর করে দেশের গার্মেন্টসগুলো পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ তৈরি পোশাক শিল্প খাত হয়েছে। পাশাপাশি গড়ে উঠেছে ব্যাংক, ইন্সুরেন্স, হোটেল নানামুখী ব্যবসা। তবে, বস্ত্র শিল্পের ভবিষৎ নির্ভর করছে, শিল্পের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সৃষ্টি এবং কাঁচামালের আমদানি নির্ভরতা কমানোর ওপর। নিজস্ব যন্ত্রপাতির উদ্ভাবন ও তার পরিচালনে দেশীয় মানব সম্পদ তৈরির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

আমদানী করা তুলা, কয়েকটি ধাপে হয়ে উঠা রঙিন কাপড়। তুলাকে প্রথমে সুতায়, এর পর হয় বস্ত্র এবং সর্বশেষ ডাইং-প্রিন্টিং-ফিনিশিং প্রকৃয়ার মধ্য দিয়ে প্রস্তুত করা হয় রঙিন কাপড়; যা প্রাথমিক বস্ত্র শিল্প খাত হিসেবে পরিচিত। বিশাল এই কর্মযজ্ঞ পরিচালনাকারী বিটিএমএ’র সদস্যভূক্ত কারখানা রয়েছে সর্বমোট ১৪’শ ৬১টি। এর বাইরেও রয়েছে আরো অনেক কারখানা; যেখানে সম্পৃক্ত সাড়ে আট লাখ শ্রমিক।

স্থানীয় খোলা বাজারের পাশাপাশি দেশের তৈরী পোশাক শিল্পের প্রধান কাঁচামালের বড় একটি অংশ যোগান দিচ্ছে বস্ত্রখাত। তৈরী পোশাক শিল্পের নীট খাতে চাহিদার ৯০ শতাংশ আর ওভেন খাতে ৪০ শতাংশ বস্ত্র আসে দেশীয় শিল্প থেকে। পাশাপাশি রপ্তানিও হয় বিশ্ব বাজারে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে রপ্তানীর পরিমান ছিল ৯৬ হাজার কোটি টাকা। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা’র সর্বশেষ ২০১১ সালের গবেষণা অনুযায়ী প্রাথমিক বস্ত্র শিল্পের বিশ্ব বাজার ১৯ লাখ কোটি টাকার। যেখানে বাংলাদেশের দখলে ৫ শতাংশের মত বাজার।  

বস্ত্র প্রস্তকারকদের সংগঠন-বিটিএমএর তথ্য মতে, স্বাধীনতার পর প্রাথমিক বস্ত্রখাতে বিনিয়োগ ছিল প্রায় ৪’শ কোটি টাকা, যা বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকায়। এই শিল্পের উপর ভর করে অগ্রগামী ও পশ্চাতগামী শিল্প গড়ে উঠেছে।  

২০০৫ সালের এক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশের শতভাগ চাহিদা পূরণ করতে প্রাথমিক বস্ত্রখাতে আরো অতিরিক্ত ১৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন। গত এক দশকের বেশি সময় ধরেও এই প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ পুরোপুরি আসে নি।

নিজস্ব প্রযুক্তি,  যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, নিজস্ব দক্ষ জনশক্তির অভাবে বস্ত্রের দাম ও গুনগত মানের দিক থেকে বাংলাদেশ তার প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে আছে।  উদ্যোক্তারা বলছেন, এসব চ্যালেঞ্জ ছাড়াও ব্যাংকের সুদের হার কমানো, সাশ্রয়ী মূল্যে গ্যাস প্রাপ্তি, বিদ্যুতের সরবরাহ ও পর্যাপ্ত জমি প্রাপ্তির উপর নির্ভর করবে এই শিল্পের অগ্রযাত্রা।

১০ জেলায় মূলত এই বস্ত্র খাত অবস্থিত। যার মধ্যে ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুর, চট্টগ্রাম এবং নরসিংদী এই পাঁচ অঞ্চলে মোট বস্ত্র কারখানার ৯৭ শতাংশ অবস্থিত।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is