ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-20

, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

ট্রাফিক পুলিশের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি পেলেও,কর্মক্ষেত্রে রয়েছে নানা প্রতিকূলতা

প্রকাশিত: ০৯:২৩ , ০৪ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ১১:১৮ , ০৪ এপ্রিল ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: সামজিক অবস্থান বিচারে অহেলিত নিু আয়ের মানুষদের কাতারে পড়ে ট্রাফিক পুলিশ। কিন্তু সমাজের প্রভাবশালী, অগ্রবর্তী নাগরিকদের যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হয় তাদের। এ যেন এক কঠিন সংগ্রাম। এমন হারভাঙ্গা পরিশ্রমের পর যে উপার্জন হয় তা কতটুকুইবা স্বচ্ছলতার মুখ দেখায়। পারিবারিক ও সামাজিক জীবনেও কর্মজীবনের মতোই কঠোর বাস্তবতা মেনে চলতে হয় তাদের। এক সময়ের চরম অস্বচ্ছল ট্রাফিক পুলিশের বর্তমানে আর্থিক ভাবে কিছুটা সুবিধা বাড়লেও  সাধারণত সমাজের চোখে খুব একটা ভাল মূল্যায়ন নেই তাদের।

আব্দুর রহমান। দশ বছরের চাকরি জীবনের বছর চারেক ধরে ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত। গত তিন মাস ধরে রাজধানীর বাংলামটর সিগনালে দায়িত্ব পালন করছেন। মাথার ওপর সূর্য্যরে প্রখর রোদে যেমন পুড়েন, বৃষ্টি কিংবা শীতেও- সব সময় এভাবেই দায়িত্ব পালন করে যেতে হয় তার মতো অন্যদেরকেও।

প্রতি মূহুর্তে মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রায়ই বাক বিতন্ডায় জড়াতে হয়। তার আক্ষেপ মানুষের ভালর জন্য কাজ করতে গিয়ে মাঝে মধ্যেই শারীরীক লাঞ্চনাও জোটে।
এর পরও সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করে চলেছেন আব্দুর রহমান। তার মতোই নানা আক্ষেপ আছে অন্য সহকর্মীদের।

ট্রাফিক পুলিশ ও তাদের পরিবারের সদস্যদেও প্রতি সমাজের অবহেলার দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে এমন অভিযোগ যেমন আছে। তেমনি সম্মানও কম নেই বলে জানান তারা। তবে, সবচেয়ে বেশি ব্যাথিত করে- যখন নিজের সন্তানকেও  বিরুপ বাস্তবতার শিকার হতে হয়।

এক সময় পারিশ্রমিক খুব কম ছিল, বর্তমানে সে অবস্থা পাল্টে গেছে। তবে, কর্ম ক্ষেত্রে নানা প্রতিকূলতা কাজের ব্যঘাত ঘটায় বলে জানান তারা।

রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের নিুতম পর্যায়ের যে সদস্যরা কাজ করে তারা সমাজের দরিদ্র সংগ্রামী পরিবারের সন্তান। যাদের কাছে আয় রোজগারের সামান্য উপায় খুজে পাওয়াই বড় ব্যপার। তাই পেশাগত কাজে ও সমাজে যত গঞ্জনাই থাকুক ট্রাফিক পুলিশের এই চাকরিটা তাদের কাছে মহার্ঘ্য।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is