ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-23

, ১২ মহাররম ১৪৪০

দেশে ট্রাফিক পুলিশ দশ হাজার; ঢাকাতেই চার হাজার

প্রকাশিত: ০৯:০৭ , ০৪ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ১১:১৮ , ০৪ এপ্রিল ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাস্তার যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ট্রাফিক পুলিশ প্রবর্তনের ইতিহাস দেড়শ বছরের। প্রবর্তন ঘটে বৃটেনে। তারপর এই ধারণা ছড়িয়ে পড়ে নানা দেশে। বাংলাদেশে ট্রাফিক পুলিশের ব্যবহার বিগত শতাব্দীর প্রথম ভাগে। তবে, রাস্তায় দিন রাত রোদে-ঘামে, বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে যে ট্রাফিক পুলিশ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করে তাদের জীবন এক কঠিন সংগ্রামের। ঘরে সমাজে এবং পেশায় চ্যলেঞ্জের পর চ্যলেঞ্জ। এ কাজে যুক্ত হয়েছে নারীরাও।

১৮৬৫ সাল। ইংল্যান্ডের লন্ডন শহরে সে সময় প্রচলন ছিল ঘোড়া টানা গাড়ির। দিন দিন এর সংখ্যা বাড়ছিল। ফলে রাস্তা পারাপারে পথচারীরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। এ সমস্যার সমাধান দিলেন জন পিক নাইট নামে একজন রেলওয়ে ম্যানেজার এবং প্রকৌশলী। তিনি মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় ট্রফিক পুলিশ গঠনের পরামর্শ দেন। এর পর কালক্রমে দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়ে ট্রাফিক পুলিশের ধারণা।

প্রথম দিকে দিনের বেলা ট্রাফিক পুলিশ হাতের ইশারায় রাস্তার যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করত। আর রাতের বেলা লাল ও সবুজ বাতির সাহায্যে হতো নিয়ন্ত্রণ। ১৯২০ সালে মিশিগানের ডেট্রয়েটে উইলিয়াম এল পটস নামের এক পুলিশ চার রাস্তার মোড়ে আলোক বাতির সাহায্যে ট্রফিক নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেন। ওই সময়েই ভারত উপমহাদেশেও ট্রাফিক পুলিশ ব্যবস্থা চালু হয়।

তবে, তখনো হাত নেড়েই গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রন করা হতো। আর দেশে ট্রাফিক পুলিশ ব্যবস্থার প্রবর্তন স্বাধীনতার পর পর ১৯৭২ সালে। সেই সময় সারা দেশে মাত্র ১০৯ জন ট্রাফিক পুলিশ ছিলো। এর পর প্রতি বছরই সড়কের ব্যস্ততা বাড়ার সাথে সাথে এদের সংখ্য বাড়তে থাকে। ১৯৮০ সালে ছিলো ৩ হাজার, ১৯৯০ সাথে ৪ হাজার, ২০০০ সালে ৫ হাজার, ২০১০ সালে ৬ হাজার এবং বর্তমানে ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা প্রায় দশ হাজার। যার মধ্যে শুধু রাজধানী ঢাকায় ৪ হাজার ট্রাফিক সদস্য নিয়োজিত রয়েছে।

প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাসে ট্রাফিক পুলিশের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বহুবার। প্রশাসনকে গতিশীল করতে বিভিন্ন পবিরর্তন আনা হয়েছে। তবে, এর সুফল কর্মকর্তারা পেলেও, বিবর্তনের ধারাবাহিকতা ট্রাফিক পুলিশের জীবনযাত্রার মানে খুব একটা পরিবর্তন আনতে পারেনি।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is