ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-26

, ১৫ মহাররম ১৪৪০

শৃঙ্ক্ষলা ফেরাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি বাড়ানোর পরামর্শ

প্রকাশিত: ০৯:৪০ , ০২ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ১১:১০ , ০২ এপ্রিল ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্যাংকিং খাতের বর্তমান দুরাবস্থায় নতুন ব্যাংক খোলার অনুমতি না দিয়ে পুরানোগুলোর মান বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যথাযথ তদারকির অভাবে ব্যাংকিং খাত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে বলে তাদের বিশ্লেষণ। ব্যাংকিং খাতে আস্থা  হারানোর ফলে যদি আমানতের প্রবাহ কমে যায় তাহলে সার্বিকভাবে উৎপাদন খাতে ঋণের পরিমাণ কমে যেতে পারে। যা কাঙ্খিত প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনে বাধার সৃষ্টি করবে। এ খাত সুরক্ষায় এখনই যথাযথ পদক্ষেপ নেবার কথা বলেন এ খাত সংশ্লিষ্টরা।

বিআইবিএমের হিসেবে দেশের প্রায় ৪০ ভাগ বা ৩ কোটি মানুষ এখনও ব্যাংকিং সেবার বাইরে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সেবার আওতায় আনতে ৩টি নতুন ব্যাংক অনুমোদন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অন্যদিকে এত দিন সরকারি ব্যাংকের বেহাল অবস্থা থাকলেও অনেক বেসরকারি ব্যাংকেও তা ছড়িয়ে পড়েছে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা এখনও ব্যাংকিং সেবার বাইরে রয়েছেন তাদের অন্তর্ভূক্ত করতে পুরানো ব্যাংকগুলোই যথেষ্ট। নতুন ব্যাংকের প্রয়োজন নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম আর জালিয়াতির যে রীতি চলছে নতুন ব্যাংক এলে তার ক্ষেত্র আরো প্রসারিত হবে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সেবার আওতায় আনতে জোর দিতে হবে এজেন্ট ব্যাংকিং এ।

পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, এ খাতটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের কবলে পড়েছে। যা ব্যাংক খাত তো বটেই, সার্বিক অর্থনীতির জন্য অশনি সংকেত। এমন অবস্থা চলতে থাকলে কেবল আমানতকারী বা ব্যবসায়ীরাই ব্যাংকবিমুখ হবেন না, উৎপাদন, বিদেশি বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকিং খাতে চলে আসা স্বেচ্ছাচারিতা, গুরুতর অনিয়ম ও বিচ্যুতিকে উপেক্ষা করা সংকটকে গভীর করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যে দুষ্টচক্র ব্যাংকিং খাতকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে ব্যাংকিং খাতের সংকট দূর করা যাবে না।

ব্যংক ব্যবস্থাপনায় পেশাদারিত্ব নিশ্চিতে, রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করা, ঋণ খেলাপিদের নাম ঘোষণা, কুঋণ দেওয়ার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশ এবং ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনার পাশাপাশি ব্যাংক আইন সু-সংহত করা দরকার বলে মতদেন এ খাত সংশ্লিষ্টরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is