ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-17

, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

ঘুরে আসুন চাঁদপুর

প্রকাশিত: ০৫:৪১ , ২১ মার্চ ২০১৮ আপডেট: ০৫:৪১ , ২১ মার্চ ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: চাঁদপুর বেড়াতে গেলে কোনো অতৃপ্তি থাকবে না। চাঁদপুর ব্যবসা-বাণিজ্যে সমৃদ্ধ শহর। রয়েছে দুইশত বছরের প্রাচীন ‘পুরান বাজার’। লন্ডনঘাট ও বড় স্টেশন। 

আর পুরান বাজারের অন্যতম আকর্ষণ একঝাঁক বানর। পুরান বাজারের পুরান কুঠিতে দীর্ঘদিন এসব বানর বসবাস করে আসছে। চাঁদপুর গিয়ে না থাকলে ঘুরে আসতে পারেন। 

ঢাকা থেকে লঞ্চে চাঁদপুর যাওয়ার সময় উপভোগ করুন শীতলক্ষ্ম্যা মেঘনা নদীর সৌন্দর্য। উপভোগ করতে পারবেন পদ্মা, মেঘনা আর ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থল। 

যা দেখবেন:
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ স্মরণে ভাস্কর্য ‘অঙ্গীকার’, পুরান স্টেশন, লন্ডন ঘাট। এই ঘাটের ইতিবৃত্ত কেউই বলতে পারলো না। কারও কারও মতে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয় এই লন্ডন ঘাট। সেই সময় ব্রিটিশদের  ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল ছিল। ব্রিটিশরা তাদের কাজে এই ঘাট ব্যবহার করতো বলে এর নাম হয়ে গেছে লন্ডন ঘাট। লন্ডন ঘাট তার সৌন্দর্য, আর সেই সময়কার পন্টুন নিয়ে এখনও ঐতিহ্য ধরে রাখলেও জৌলুস নেই আর। সব কয়টি পন্টুনে মরিচা ধরে জায়গায় জায়গায় ছিদ্র হয়ে ভেঙে পড়ার অবস্থা। এখনও প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে প্রচুর দর্শনার্থী আসে লন্ডন ঘাটে বেড়াতে।

লন্ডন ঘাটের ওপারের নদীর তীর ঘেঁষে সারিসারি জাল। তাতে মাছ চাষ সত্যি ব্যতিক্রম চিত্র। সব মিলিয়ে লন্ডন ঘাটের এই পাশে ডাকাতিয়া নদী অন্য রকম। 

চাঁদপুর মোহনার সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভ্রমণ পিপাসুরা চাঁদপুর আসেন। এখানে নদী বাঁধ দিয়ে আটকানো। প্রতিদিন বাঁধের উপর হাজার হাজার মানুষ বেড়াতে যায়। ভীড় করা মানুষ আড্ডা-গল্পে মশগুল হয়।

এখানে নৌকায় বেড়ানোর ব্যবস্থা আছে। চাইলে ওপারের পুরান বাজারেও ঘুরে আসা যায়। ভাড়া জন প্রতি ১০ টাকা। রিজার্ভ ৩০ টাকা। এক ঘণ্টার জন্য ভাড়া ২০০ টাকা।

অবশ্য বাজারের অর্ধেক নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আর গেছে একটি মসজিদ ও মন্দির। তবে এখানে গেলে চমৎকার কারুকার্যের লোকনাথ বাবার মন্দিরটি আপনার দেখা হয়ে যাবে।

পুরান বাজারে চমৎকার কারুকার্যের একতালা-দোতালা কিছু দোকান রয়েছে। দেওয়ান ব্রাদার্স ও শ্রী মথুরা মোহন পোদ্দার তাদের মধ্যে অন্যতম। শ্রী মথুরা মোহন পোদ্দার এখন টুকুন বাবুর হোটেল নামে খ্যাত। এখানের অন্যতম বিষয় হল বানর। প্রচুর বানরের বসবাস এখানে।

বানরে ভরা এমন এলাকায় মানুষ-জন শুধু তাদের দেখতে এসে পুরান বাজারেও চোখ বুলিয়ে নেয়। এখানে আসার সময় সবাই সঙ্গে খাবার নিয়ে আসে। সে খাবার ছড়িয়ে দিলে ভীড় করে সব বানরের দল।  


প্রয়োজনীয় তথ্য: 

রাজধানীর শ্যামবাজার ঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু, চলে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

একইভাবে চাঁদপুর ঘাট থেকেও ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চ চলাচল করে। ইচ্ছা মতো সময়ে চাঁদপুরগামী যে কোনো লঞ্চে চড়ে বসলেই হবে, চলে যাবেন চাঁদপুর।

ডেকের ভাড়া ১০০ টাকা। চেয়ার ১৫০ টাকা। এসি চেয়ার ২০০ টাকা। কেবিন সিঙ্গেল ৪০০ টাকা। ডাবল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা।

একইভাবে চাঁদপুর ঘাট থেকেও ঢাকার উদ্দেশে লঞ্চ চলাচল করে। ইচ্ছা মতো সময়ে চাঁদপুরগামী যে কোনো লঞ্চে চড়ে বসলেই হবে, চলে যাবেন চাঁদপুর।

ডেকের ভাড়া ১০০ টাকা। চেয়ার ১৫০ টাকা। এসি চেয়ার ২০০ টাকা। কেবিন সিঙ্গেল ৪০০ টাকা। ডাবল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা।

এই বিভাগের আরো খবর

ঘুরে আসুন মেঘের রাজ্য নীলগিরি

ডেস্ক প্রতিবেদন: প্রকৃতির এক অনন্য দান বান্দরবানের নীলগিরি। যেখানে গেলে দেখতে পারবেন মেঘ আর পাহাড়ের মিতালী। যেখানে মেঘেরা আপন থেকে ছুঁয়ে...

দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ৫ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ। সকাল সোয়া ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is