ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-21

, ১০ মহাররম ১৪৪০

কালের সাক্ষী তাজহাট জমিদার বাড়ি

প্রকাশিত: ০১:২৫ , ১৫ মার্চ ২০১৮ আপডেট: ০১:২৫ , ১৫ মার্চ ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: রংপুরের তাজহাট জমিদার বাড়ি একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ। যা এখন একটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পর্যটকদের কাছে এটি একটি আকর্ষণীয় স্থান। জমিদার বাড়িটি রংপুর শহর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে তিন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তাজহাট জমিদার বাড়ি রংপুরের একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান। 

তাজহাট জমিদার বাড়ির ইতিহাস:  
জমিদার গোবিন্দ লালের পুত্র গোপাল লাল (জি.এল.রায়) স্থানীয়ভাবে তাজহাট জমিদার নামে পরিচিত। এই বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মান্নালাল রায়। তিনি সুদূর পাঞ্জাব হতে রংপুরের বিশিষ্ট সমৃদ্ধ স্থান মাহিগঞ্জে স্বর্ণ ব্যবসা করার জন্য এসেছিলেন। 

প্রাচীন রঙ্গপুরের ইতিহাস পুস্তক থেকে জানা যায় যে, মান্নালাল রায় রঙ্গপুরের মাহিগঞ্জে এসেছিলেন হীরা, জহরত ও স্বর্ণ ব্যবসার জন্য। প্রথমে তিনি নানান ধরনের নামি দামি হীরা, মানিক, জহরতখচিত তাজ বা টুপির ব্যবসা করেছিলেন। পরে তাজ বিক্রির  লক্ষ্যে এখানে হাট বসে যা পরবর্তীতে বিরাট প্রসিদ্ধি লাভ করে এবং এ তাজহাটকে কেন্দ্র করে এই জমিদারবাড়ির নামকরণ করা হয় তাজহাট জমিদার বাড়ি।

কিভাবে যাবেন তাজহাট জমিদার বাড়িতে:

ঢাকা থেকে রংপুর যাওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো পরিবহন হলো গ্রিণ লাইন এবং টি আর ট্রাভেলস। এছাড়া এ রুটে আগমনী পরিবহন, এস আর, শ্যামলী, হানিফ, কেয়া ইত্যাদি পরিবহনের সাধারণ বাস চলাচল করে। ঢাকার কল্যাণপুর ও গাবতলী থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ছাড়ে এসব বাস। 

টিকেট প্রাপ্তিস্থান:
জাদুঘরের গেটের পাশেই রয়েছে টিকেট কাউন্টার, জনপ্রতি টিকেট এর দাম বিশ টাকা করে, পাঁচ বছরের কম কোন বাচ্চার জন্য টিকেট লাগবেনা। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিশু-কিশোরদের জন্য প্রবেশ মূল্যে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ টাকা। সার্কভুক্ত বিদেশি দর্শনার্থীর জন্য টিকেট মূল্য একশত টাকা এবং অন্যান্য বিদেশি দর্শকদের জন্য টিকেটের মূল্য দুইশত টাকা করে।

বন্ধ-খোলার সময়সূচী:

গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত খোলা থাকে। মাঝখানে দুপুর একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত আধ ঘণ্টার জন্য বন্ধ থাকে। আর শীতকালে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত খোলা থাকে। শীতকালেও দুপুর একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। আর সবসময়ের জন্যেই শুক্রবারে জুম্মার নামাজের জন্যে সাড়ে বারোটা থেকে তিনটা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। রোববার সাধারণ ছুটি এবং সোমবার বেলা  দুইটা থেকে   খোলা থাকে। এছাড়াও সরকারি কোন বিশেষ দিবসে জাদুঘর খোলা থাকে।

কোথায় থাকবেন: 
রংপুরে থাকার জন্য বিভিন্ন মানের হোটেল রয়েছে।  তবে রংপুরে ভালো হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল শাহ আমানত, হোটেল গোল্ডেন টাওয়ার, হোটেল দি পার্ক, হোটেল তিলোত্তমা,  হোটেল বিজয় এবং হোটেল আরডিআরএস।  

এই বিভাগের আরো খবর

গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি আদায়ে সারাবিশ্বে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালি জাতির ওপর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর নৃশংসতাকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ে বন্ধু রাষ্ট্রসহ...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is