ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-12-14

, ৫ রবিউস সানি ১৪৪০

রোহিঙ্গা আশ্রয়স্থল: বিশ্বে পরিচিত হয়ে উঠেছে কক্সবাজার

প্রকাশিত: ১০:১২ , ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ আপডেট: ০২:২০ , ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: মাত্র কয়েক দশক আগ পর্যন্তও সাগর ও পাহাড় শোভিত কক্সবাজারের প্রকৃতি থেকে আহরণ করা সম্পদ স্থানীয় মানুষদের জীবিকার প্রধান উৎস ছিল। আজও তা আছে, কিন্তু পর্যটন বি¯তৃত হওয়ায় বাণিজ্যের নতুন নতুন খাত তৈরি হয়েছে, যা পাল্টে দিয়েছে কক্সবাজার শহরকে, পাল্টে দিয়েছে জীবন যাপনের পুরোনো ধাঁচকে। সীমান্তবর্তী জনপদ হওয়ায় নানান অনাকাঙ্খিত বিপজ্জনক অবৈধ বাণিজ্যেরও সংযোজন ঘটেছে, যা ছিলোনা দূর ও নিকট অতীতে।   

মাত্র দুই-আড়াই দশক আগের কক্সবাজার শহর। একটি মাত্রমূল রাস্তার দু’পাশে ছিল কিছু সেকেলে স্থাপনা। মূলত কোলাহলহীন, সবুজে ঘেরাশান্ত এক গ্রমীন জনজীবন ছিল শহরেও। আর এখন নগরায়নের চেহারা দেখলে মনে হয় রাজধানী ঢাকার সাথে যেন পাল¬া দিচ্ছে। মাত্র দেড় দশকের এই দ্রুত নগরায়ন এখানে পর্যটন বাণিজ্য বি¯তৃতির স্বাক্ষর দেয়।  

পর্যটন বাণিজ্যের বি¯তৃতি ও নগরায়ণের আগে কক্সবাজারের মানুষের জীবন-জীবিকার প্রধান উৎস ছিল মূলত এই সাগরের সম্পদ। এমনকি সাগরের পানি থেকে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে লবণ উৎপাদনও বাণিজ্যের বড় উৎস। নতুন, নতুন বাণিজ্যের ধারণা এখানে জীবনের মানকে বাড়াতে সাহায্য করেছে।
 
নেহায়েত বাণিজ্যের জনপদ থেকে পর্যটন নগরীতে রুপান্তর হওয়া কক্্রবাজারের এই সমুদ্র সৈকত বিশ্ব ঐতিহ্যের একটি হিসেবে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বিকৃত। পর্যটন এখন বাণিজ্যের বড় খাত হওয়ায় একে ঘিরে আয়ের নতুন নতুন খাত তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে; যা সমুদ্র সৈকতের চেহারা ও পরিবেশকেও পাল্টেছে।   

প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী জনপদ কক্সবাজার। সীমান্তের আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্য আছে কক্সবাজারে সেই সাথে সীমান্তবর্তী এলাকার অপরাধমূলক বাণিজ্যের সংকটও আছে। নবীন নেশাদ্রব্য ইয়াবা সবচেয়ে বড়অবৈধ বাণিজ্য হয়ে উঠেছে, যা রাতারাতি ধনী করে দিতে পারে হত দরিদ্রকেও। 

পাল্টে যাওয়া কক্সবাজারে দুটি বিপরীত মূখী লড়াই বিদ্যমান। একটি প্রকৃতিকে আশ্রয় করে বিপুল বাণিজ্যের সম্ভাবনাকে দ্রুত কাজে লাগানো। আর দ্রুত বর্ধমান বিপজ্জনক অবৈধ বাণিজ্যকে দমন করা।  
 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is