ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-22

, ১১ মহাররম ১৪৪০

প্রায় দশ লাখ মানুষ জড়িত

সরকারি খাতে কাগজ শিল্পের দুর্দশা

প্রকাশিত: ০৯:২৫ , ১৩ জানুয়ারী ২০১৮ আপডেট: ১২:৫৬ , ১৩ জানুয়ারী ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: কাগজের উদ্ভাবন মানব সভ্যতা বিকাশের পথে একটি মাইলফলক ঘটনা। দু’শ খ্রিস্টাব্দেরও আগে এই আবিস্কারের কৃতিত্ব চীনের। দেশটির চারটি বিশাল উদ্ভাবনের একটি। পরে ছড়িয়ে পড়ে সারাবিশ্বে, তবে ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ইউরোপে উৎপাদন বি¯তৃতি লাভ করে। বাংলাদেশ ভূখণ্ডে কাগজ তৈরি ও ব্যবহারের ইতিহাসও  প্রাচীন। একসময় শিল্প হিসেবে গড়ে ওঠে সরকারি উদ্যোগে। সরকারি খাতে এখন দুর্দশা হলেও বেসরকারি খাতে এগিয়েছে। 

পাহাড়, পাথর বা তালপাতাসহ প্রকৃতির বিভিন্ন উপকরণে খোদাই করে বা রং দিয়ে লিখে রাখার আদিম কষ্টকর প্রক্রিয়ার অবসান ঘটে চীনে কাগজ উদ্ভাবনের পর। প্রাচীন চীনে মণ্ড দিয়ে তৈরি কাগজ প্রথম আবিষ্কার করেন চাই লুন নামে হান জাতির এক ব্যক্তি। পরে ইউরোপে কাগজের উৎপাদন বি¯তৃতি লাভ করে। বিশ্বের উদ্ভাবন নিয়ে বললেন, চিত্রশিল্পী হাশেম খান ও প্রকাশক খান মাহবুব।   

১৮৮৪ সালে কানাডা ও জার্মানীর দুই উদ্ভাবক ফেনর্টি এবং কেলার যৌথভাবে কাঠের মণ্ড থেকে কাগজ তৈরির প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেন, তা আজও অনুসরণ করা হচ্ছে। দেশে কাগজ তৈরির প্রচীন ইতিহাস বলে -- রাজশাহী, রংপুর, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় কাগজের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হতো পাট গাছ ও দেশি ছণ। এখন বেশিরভাগ কাঁচামাল আসে বিদেশ থেকে। কাগজ শিল্পের সে সময়ের কথা বললেন,  মিডিয়াকম লিমিটেডের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর আনিসুজ্জামান সোহেল ও চিত্রশিল্পী হাশেম খান।   

চট্রগ্রামের চন্দ্রঘোনায় ১৯৫৩ সালে “কর্ণফুলি পেপার মিল” হয়। এশিয়ার বৃহত্তম এই কাগজ কারখানা উৎপাদনে গেলে দেশে কাগজের ব্যবহার বি¯তৃত হয়। শুরুতে ত্রিশ হাজার শ্রমিক বছরে প্রায় ত্রিশ হাজার টন কাগজ উৎপাদন করতে পারতো।  পরে পাকশীতে সরকারি নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল ও খুলনার নিউজপ্রিন্ট পেপার মিল হয়। সেগুলোতে মধ্যম মানের ও সংবাদপত্র ছাপার কাগজ তৈরি হতো, যা দেশের চাহিদা পূরণেও সক্ষম ছিল। কর্ণফুলি পেপার মিল ছাড়া সরকারি বাকী মিলগুলো এখন বন্ধ।  কর্ণফুলি মিলের দৈনিক উৎপাদনও কমে একশ’ টন থেকে ত্রিশ টনে নেমেছে। জানালেন, বিসিআইসি’র পরিচালক ও কর্ণফুলি পেপার মিলের চেয়ারম্যান।

সরকারি মিল বন্ধ ও মন্দার পেছনে নানা অজুহাত থাকলেও বেসরকারি খাতে কাগজ শিল্পের বিকাশ ঘটেছে। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is