ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-23

, ১২ মহাররম ১৪৪০

সিলেটের পর্যটন নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে

প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা তেমনটা বাড়েনি

প্রকাশিত: ০৯:৫০ , ১০ নভেম্বর ২০১৭ আপডেট: ১০:০৪ , ১০ নভেম্বর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সিলেট অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো।  এই অঞ্চলের অধীবাসীদের অনেকে প্রবাসী, ফলে আর্থিক স্বচ্ছলতাও বেশী, যা সিলেটের পর্যটন খাতকে সমৃদ্ধ করতে বিশেষ সহায়ক। তবে সিলেটের পর্যটন নিয়ে দেশের ভ্রমন পিপাসুদের আগ্রহ অনেক বাড়লেও সে তুলনায় প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা তেমনটা বাড়েনি।

মাটির দেখা নেই। ডুবে আছে মিঠা পানিতে। তার মধ্যে বৃক্ষরাজি এক বিস্তীর্ণ জঙ্গল। এটা সিলেট অঞ্চলের এক বণাঞ্চল। “রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট” নামে পরিচিত পর্যটকদের কাছে। এমন প্রকৃতিক সৌন্দর্য বিশ্বে বিরল, আর দেশে একমাত্র।

হিজল করচ, বরণ আর পাটি বেতে ছাওয়া এই ঘন অরণ্য। পায়ে হেটে দেখবার উপায় নেই। নৌকায় বসলেও অনেক সময় গাছের সাথে সংঘাত এড়াতে মাথা নিঁচু করতে হয়। গাছের শেকড় থাকে জলে ডুবে। আছে পাখির বিচরণ, গাছে পানিতে সাপ, আরও নানা প্রাণী। স্থানীয়দের জানার গন্ডি পেরিয়ে ২০১১ সাল থেকে রাতারগুল পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিত হতে শুরু করে।

রাতারগুলের মতো সিলেট অঞ্চলের বেশিরভাগ দর্শনীয় জায়গা স্থানীয় জনগন এবং বিভিন্ন পর্যটক দলের প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশে-বিদেশে পরিচিতি লাভ করছে। পরে যাচাই বাছাই করে সেই এলাকাগুলোকে আনা হচ্ছে পর্যটন কর্পোরেশনের তদারকির আওতায়।

সিলেটের পর্যটনকে বিকশিত করতে বিক্ষিপ্তভাবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে বেশ কিছু উন্নত মানের হোটেল, মোটেল এবং রেস্টুরেন্ট তৈরি হয়েছে বিগত বেশ অনেক বছরে। বিলাসবহুল বিনোদন কেন্দ্রও করা হয়েছে।

এসব বিত্তবান দেশি-বিদেশি পর্যটকদের টানছে। তবে তা যথেষ্ট নয়, সরকারের পরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও মনে করেন পর্যটনের সাথে যুক্ত স্থানীয় উদ্যোক্তারা।

সিলেটে মনিপুরী, খাসিয়াদের মত নানান ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর জীবনযাত্রার প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ আছে। কিন্তু তাদের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার মতো তেমন কোন পরিকল্পিত উদ্যোগ চোখে পড়ে না।

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is