ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-25

, ১৪ মহাররম ১৪৪০

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বিরোধীদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা: মমতা

প্রকাশিত: ১০:৪৮ , ২৩ মার্চ ২০১৭ আপডেট: ১০:৪৮ , ২৩ মার্চ ২০১৭

ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় বেকার হোস্টেলে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ ভাস্কর্য সরিয়ে দেওয়ার দাবি নাকচ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের দুই বাংলার প্রেরণা। তাঁর ভাস্কর্য সরানোর প্রশ্নই ওঠে না। কেউ প্রতিবাদ করতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সম্প্রতি ‘সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন’ নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্য সরিয়ে নেয়ার দাবি জানালে এর জবাবে মমতা বন্দোপাধ্যায় এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্ধৃতি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যমের খবরে একথা বলা হয়েছে।
১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস কলকাতায় জন্মদিন উদযাপনের পর ‘সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন’-এর সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ কামরুজ্জামান এক বিবৃতিতে দাবি করেন, ‘বেকার হোস্টেল থেকে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য সরিয়ে অন্য কোনো সরকারি স্থানে বসানো হোক। কারণ, ইসলাম ধর্মে ভাস্কর্যের স্বীকৃতি নেই। হোস্টেলের ভেতর কোনো ইসলামবিরোধী কাঠামো গড়া অন্যায়।’
বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো, বিশেষ মোনাজাত, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বঙ্গবন্ধুর ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী, প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্যাপন করে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ।
মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেছেন, ‘ঐতিহ্যের কোনো ইজারা হয় না। বঙ্গবন্ধু দুই বাংলার কাছেই শ্রদ্ধেয়, স্মরণীয়। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের প্রেরণা। তাঁর স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে সংরক্ষণ করাই আমাদের কর্তব্য। এর কোনো রকম বিরোধিতা বরদাশত করা হবে না। কেউ প্রতিরোধ তৈরি করতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই বেকার হোস্টেল। এটি সরকারি ছাত্রাবাস। বঙ্গবন্ধু কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়ার সময় এই বেকার হোস্টেলে ছিলেন ১৯৪৫-৪৬ সালে। তিনি ছিলেন ২৪ নম্বর কক্ষে। ইসলামিয়া কলেজের নাম বদলিয়ে এখন নামকরণ করা হয়েছে মাওলানা আজাদ কলেজ।
১৯৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে বেকার হোস্টেলের ২৩ ও ২৪ নম্বর কক্ষ নিয়ে গড়ে তোলা হয় বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষ। এই স্মৃতিকক্ষে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত খাট, চেয়ার, টেবিল ও আলমারি। তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ২৪ নম্বরের পাশের ২৩ নম্বর কক্ষটিকে যুক্ত করে স্মৃতিকক্ষ গড়ার উদ্যোগ নেন। ১৯৯৮ সালের ৩১ জুলাই বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক সত্যসাধন চক্রবর্তী।

এই বিভাগের আরো খবর

জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়াকে ‘জাতীয়তাবাদী সাম্প্রদায়িক ঐক্য’ বললেন সেতুমন্ত্রী

কক্সবাজার প্রতিনিধি: সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়াকে ‘জাতীয়তাবাদী সাম্প্রদায়িক ঐক্য’ বলে আখ্যা দিলেন আওয়ামী...

খালেদার চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে রিটের শুনানি মঙ্গলবার

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশেষায়িত হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন...

আওয়ামী লীগই আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বি- ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি-জামায়াত নয় বরং আওয়ামী লীগই আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বি বলে মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is