ঢাকা, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১১ বৈশাখ ১৪২৬

2019-04-23

, ১৭ শাবান ১৪৪০

ঘুরে আসুন মনপুরা

প্রকাশিত: ১০:১০ , ১৮ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ১০:১০ , ১৮ অক্টোবর ২০১৭

 

ডেস্ক প্রতিবেদন: মনপুরা দ্বীপ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি। চতুর্দিকে মেঘনা নদীবেষ্টিত সবুজের সমারোহ। মনপুরা দেশের মানুষের কাছে যেমন আকর্ষণীয় ঠিক তেমনি বিদেশিদের কাছেও। হিমালয় থেকে নেমে আসা তিনটি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনার বুকে জেগে উঠেছে দ্বীপ জেলা ভোলা। এখানেই জেগে ওঠা মনপুরা দ্বীপের।

এই চরাঞ্চলের অতিথি পাখির উড়ে বেড়ানো, হরিণের ছোটাছুটি, নদীর বুকে সারি সারি জেলের নৌকা, দল বেঁধে বুনো মহিষের বিচরণ, ম্যানগ্রাভ বনাঞ্চল, আকাশ ছোঁয়া কেওড়া বাগান আর দিগন্ত বিস্তৃত সৈকত- সব কিছুই মানুষের মন ছুঁয়ে যায়। এখানে ভোরে সূর্যের আগমনী বার্তা আর বিকেলে পশ্চিম আকাশে একটু একটু করে মেঘের আড়ালে  হারিয়ে যাওয়ার দৃশ্য অতুলনীয়। আবার রাতে দ্বীপের অন্য রূপ। ঘোমটা জড়ানো বধূর মতো নিস্তব্ধতায় ছেঁয়ে যায় পুরো দ্বীপ। প্রায় আটশ বছরের পুরনো মনপুরা উপজেলা বর্তমানে দক্ষিণাঞ্চল তথা দেশজুড়ে পরিচিত একটি নাম।

ইতিহাস
মনপুরার ইতিহাস প্রাচীন। সাতশ বছর আগে এখানে পর্তুগীজ জলদস্যুদের আস্তানা ছিল।

যা যা দেখবেন
পর্যটকদের কাছে মনপুরার আর্কষণীয় বিষয় হচ্ছে, এখানকার হাজার হাজার একর জায়গাজুড়ে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। এ ছাড়াও রয়েছে বাহারী প্রজাতির বৃক্ষ, তরুলতা। আরো রয়েছে হরিণ, বানর, ভালুকসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী।

মনপুরায় রয়েছে ৮ থেকে ১০টি বিচ্ছিন্ন চর। এগুলো চর তোজাম্মেল, চর পাতিলা, চর জামশেদ, চর পিয়াল, চর নিজাম, লালচর, বালুয়ারচর, চর গোয়ালিয়া ও সাকুচিয়ার চর নামে পরিচিত। চরাঞ্চলে বন বিভাগের প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে সবুজের বিপ্লব। চোখ ধাঁধানো রূপ নিয়েই যেন চরগুলোর জন্ম। চরগুলোতে রয়েছে মানুষের বসতি। যাদের জীবন যাত্রা কিছুটা ভিন্ন। জেলে, চাষী, দিনমজুর, কৃষক এবং খেয়া পারাপার করে জীবিকা নির্বাহ করে এখানকার বেশীর ভাগ মানুষ।খুব সহজেই ভ্রমণপিপাসুদের মুগ্ধ করার ক্ষমতা রয়েছে সাগরকন্যা মনপুরার। তবে শীত মৌসুমে এর চিত্র অনেকটাই পাল্টে যায়। সাইবেরিয়া থেকে ছুটে আসা অতিথি পাখিদের আগমনে চরাঞ্চলে  যেন নতুন প্রাণ জেগে ওঠে। তখন সাগরকন্যা মনপুরা অতিথি পাখিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়।

কীভাবে যাবেন
ঢাকা সদরঘাট থেকে সরাসরি লঞ্চে মনপুরা যাওয়া যায়। সময় লাগে প্রায় ১২ ঘণ্টা। এ ছাড়া ভোলা থেকেও ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে যাতায়াত করা যায়।

কোথায় থাকবেন?
মনপুরায় তিনটি ডাকবাংলো আছে- সরকারি ডাকবাংলো, প্রেসক্লাব বাংলো, কারিতাস বাংলো। খরচ পরবে ২০০-৩০০ টাকা।

কী খাবেন?
মনপুরা দ্বীপে হাঁসের মাংস খুবই জনপ্রিয়। এছাড়াও মহিষের দুধের দধি, ইলিশ, কোরাল, বোয়ল ও গলদা চিংড়ি বেশ পরিচিত। মরপুড়ায় বিখ্যাত বাবুল ভাইয়ের হোটেলে খেতে পারেন। প্রতি বেলায় খরচ পড়বে ৬০-৭০ টাকা।

এই বিভাগের আরো খবর

রূপ বৈচিত্রে ভরপুর ভাটিয়ারী লেক

ডেস্ক প্রতিবেদন: চট্টগ্রাম সিটি গেট থেকে মাত্র ২০ মিনিটের দূরত্বে ভাটিয়ারী লেক অবস্থিত। পাহাড়ের পাদদেশে জমে থাকা পানি থেকে সৃষ্ট রূপ...

আধুনিক হচ্ছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: বদলে যেতে শুরু করেছে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। আধুনিক ও বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে এই...

দেখে আসুন বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার

ডেস্ক প্রতিবেদন: ইরানের বিখ্যাত পার্সিয়ান সুফি বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার চট্টগ্রামের নাসিরাবাদের পাহাড়ের উপর অবস্থিত। ১৮৩১ সালে পাহাড়ের...

দৃষ্টিনন্দন হাতিরঝিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরবাসীর বিনোদনের মনোরম এক কেন্দ্র হয়ে উঠেছে হাতিরঝিল। পরিবেশ ও নান্দনিকতায় খুব সহজেই নগরবাসীর মনে জায়গা করে নিয়েছে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is