ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৪ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-16

, ১০ জমাদিউল সানি ১৪৪০

ঘুরে আসুন বান্দরবান

প্রকাশিত: ০৬:১৪ , ১৫ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ০৬:১৪ , ১৫ অক্টোবর ২০১৭

ডেস্ক প্রতিবেদন: সবুজের সমারোহ আর মেঘ ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছা থাকলে ঘুরে আসতে পারেন বান্দরবান।  

কী কী দেখবেন:

নীলগিরি: বান্দরবান সদর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে লামা উপজেলার অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ২০০ ফুট উপরে অবস্থান নীলগিরি পর্যটনকেন্দ্রের। মেঘ ভালোবাসলে জুন-জুলাই অর্থাৎ বর্ষাকালে নীলগিরি ভ্রমণে বেশি মজা পাবেন। কারণ হাত বাড়ালেই মিলবে মেঘের স্পর্শ।

নীলগিরি যেতে আগে থেকে ল্যান্ডক্রুজার জিপ ভাড়া করতে হবে। সময় লাগবে আসা-যাওয়ায় সাড়ে চার ঘণ্টা। আসা-যাওয়ার জন্য সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়া ছোট জিপ (৫ সিট) ২ হাজার ৩০০ টাকা এবং বড় জিপ (৮ সিট) ২ হাজার ৮০০ টাকা।

স্বর্ণমন্দির: বান্দরবানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ স্বর্ণমন্দির। এটি বৌদ্ধ ধর্মাম্বলীদের একটি উলে­খযোগ্য উপাসনালয়। অবস্থান বান্দরবান শহর থেকে ৪ কিলোমিটার উত্তরে বালাঘাট পাহাড়ের চূড়ায়। স্বর্ণমন্দিরের নির্মাণশৈলী মিয়ানমার, চীন ও থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ মন্দিরগুলোর আদলে তৈরি।

মেঘলা: নাম মেঘলা হলেও মেঘের সাথে এই পর্যটন কেন্দ্রের কোনো সম্পর্ক নেই। বান্দরবান শহরে প্রবেশের ৭ কিলোমিটার আগেই অবস্থিত মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র। উঁচু-নিচু পাহাড়বেষ্টিত লেককে ঘিরে এই পর্যটন কেন্দ্রে সহজেই নজরকাড়ে দর্শনার্থীদের। লেকের পানিতে রয়েছে হাঁসের প্যাডেল বোট, ডাঙ্গায় রয়েছে মিনি চিড়িয়াাখানা। রয়েছে রোপওয়ে কারও।

 শৈলপ্রপাত: বান্দরবান শহর হতে ৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে চিম্বুক বা নীলগিরি যাওয়ার পথে দেখা মিলবে শৈলপ্রপাতের।

নীলাচল: বান্দরবান শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত পর্যটন কেন্দ্র নীলাচল। সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ১ হাজার ৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত পর্বত নীলাচল। এই পর্যটনকেন্দ্র থেকে আদিগন্ত দেখা মিলবে সবুজ আর সবুজ।

মিলনছড়ি: মিলনছড়ি বান্দরবান শহর থেকে ৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে চিম্বুক যাওয়ার পথে অবস্থান মিলনছড়ি। এখানে দেখা মিলবে সবুজ প্রকৃতির বুক চিড়ে বয়ে চলা সাঙ্গু নদী।

চিম্বুক: বান্দরবনের পুরনো পর্যটন স্পটগুলোর একটি চিম্বুক। শহর থেকে ২১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মিলনছড়ি এবং শৈলপ্রপাত পেরিয়ে যেতে হয় চিম্বুক। পাহাড়ের চূড়ায় আছে রেস্টুরেন্ট এবং ওয়াচ টাওয়ার। এখানকার সবুজ প্রকৃতি সহজেই আকর্ষণ করে প্রকৃতিপ্রেমীদের।

কীভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে বান্দরবান যেতে ২ থেকে ৩টি র“ট ব্যবহার করতে পারেন। ঢাকা থেকে ট্রেনে বা বাসে প্রথমে চট্টগ্রাম। তারপর চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান।

ঢাকা থেকে বান্দরবান: ঢাকা থেকে বান্দরবান পর্যন্ত বিভিন্ন পরিবহনের বাস ছাড়ে কলাবাগান, আরামবাগ ও ফকিরাপুল থেকে। এসি ও নন এসি সার্ভিস দুটো সার্ভিসই রয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান: বহদ্দারহাট টার্মিনাল থেকে বান্দরবানের বাস ছাড়ে। পূরবী এবং পূর্বাণী নামে দু’টি সার্ভিস আছে, ৩০ মিনিট পর পর নন এসি বাস ছাড়ে। ভাড়া জনপ্রতি- ৭০ টাকা।

খাবার-দাবার

বান্দরবান শহরে বিভিন্ন ধরণের খাবার হোটেল আছে। বাঙ্গালী খাবারের পাশাপাশি মিলবে উপজাতিদের খাবারও। তবে, খাবারের মানের চেয়ে দাম একটু বেশি।

 

এই বিভাগের আরো খবর

প্রকৃতির নিস্বর্গ শিলং

ডেস্ক প্রতিবেদন: শিলং উত্তর-পূর্ব ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ৯০৮ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত শিলং-এ প্রচুর বৃষ্টিপাত...

অবসরে ঘুরে আসুন জিন্দা পার্ক

ডেস্ক প্রতিবেদন: নগর জীবনের যান্ত্রিক কোলাহল ছেড়ে একটুখানি শান্তির পরস পেতে কার  না মনে চায়। আর তাই একটুখানি শান্তির ছোঁয়া পেতে অবসরে...

মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স 

ডেস্ক প্রতিবেদন: মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স বান্দরবান জেলার প্রবেশ পথে বান্দরবান-কেরাণীহাট সড়কের পাশে পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায়...

বান্দরবানের অন্যতম আকর্ষণ বগালেক

ভ্রমণ ডেস্ক: বগাকাইন লেক বা বগালেক বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে কেওক্রাডং পাহাড়ের কোল ঘেসে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায়...

ঘুরে আসুন মাধবপুর লেক

ডেস্ক প্রতিবেদন: মাধবপুর লেক বা হ্রদটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। কমলগঞ্জ উপজেলা সদরে থেকে মাধবপুর লেকের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is