ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-23

, ১২ মহাররম ১৪৪০

ঘুরে আসুন বান্দরবান

প্রকাশিত: ০৬:১৪ , ১৫ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ০৬:১৪ , ১৫ অক্টোবর ২০১৭

ডেস্ক প্রতিবেদন: সবুজের সমারোহ আর মেঘ ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছা থাকলে ঘুরে আসতে পারেন বান্দরবান।  

কী কী দেখবেন:

নীলগিরি: বান্দরবান সদর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে লামা উপজেলার অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ২০০ ফুট উপরে অবস্থান নীলগিরি পর্যটনকেন্দ্রের। মেঘ ভালোবাসলে জুন-জুলাই অর্থাৎ বর্ষাকালে নীলগিরি ভ্রমণে বেশি মজা পাবেন। কারণ হাত বাড়ালেই মিলবে মেঘের স্পর্শ।

নীলগিরি যেতে আগে থেকে ল্যান্ডক্রুজার জিপ ভাড়া করতে হবে। সময় লাগবে আসা-যাওয়ায় সাড়ে চার ঘণ্টা। আসা-যাওয়ার জন্য সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়া ছোট জিপ (৫ সিট) ২ হাজার ৩০০ টাকা এবং বড় জিপ (৮ সিট) ২ হাজার ৮০০ টাকা।

স্বর্ণমন্দির: বান্দরবানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ স্বর্ণমন্দির। এটি বৌদ্ধ ধর্মাম্বলীদের একটি উলে­খযোগ্য উপাসনালয়। অবস্থান বান্দরবান শহর থেকে ৪ কিলোমিটার উত্তরে বালাঘাট পাহাড়ের চূড়ায়। স্বর্ণমন্দিরের নির্মাণশৈলী মিয়ানমার, চীন ও থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ মন্দিরগুলোর আদলে তৈরি।

মেঘলা: নাম মেঘলা হলেও মেঘের সাথে এই পর্যটন কেন্দ্রের কোনো সম্পর্ক নেই। বান্দরবান শহরে প্রবেশের ৭ কিলোমিটার আগেই অবস্থিত মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র। উঁচু-নিচু পাহাড়বেষ্টিত লেককে ঘিরে এই পর্যটন কেন্দ্রে সহজেই নজরকাড়ে দর্শনার্থীদের। লেকের পানিতে রয়েছে হাঁসের প্যাডেল বোট, ডাঙ্গায় রয়েছে মিনি চিড়িয়াাখানা। রয়েছে রোপওয়ে কারও।

 শৈলপ্রপাত: বান্দরবান শহর হতে ৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে চিম্বুক বা নীলগিরি যাওয়ার পথে দেখা মিলবে শৈলপ্রপাতের।

নীলাচল: বান্দরবান শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত পর্যটন কেন্দ্র নীলাচল। সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ১ হাজার ৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত পর্বত নীলাচল। এই পর্যটনকেন্দ্র থেকে আদিগন্ত দেখা মিলবে সবুজ আর সবুজ।

মিলনছড়ি: মিলনছড়ি বান্দরবান শহর থেকে ৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে চিম্বুক যাওয়ার পথে অবস্থান মিলনছড়ি। এখানে দেখা মিলবে সবুজ প্রকৃতির বুক চিড়ে বয়ে চলা সাঙ্গু নদী।

চিম্বুক: বান্দরবনের পুরনো পর্যটন স্পটগুলোর একটি চিম্বুক। শহর থেকে ২১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মিলনছড়ি এবং শৈলপ্রপাত পেরিয়ে যেতে হয় চিম্বুক। পাহাড়ের চূড়ায় আছে রেস্টুরেন্ট এবং ওয়াচ টাওয়ার। এখানকার সবুজ প্রকৃতি সহজেই আকর্ষণ করে প্রকৃতিপ্রেমীদের।

কীভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে বান্দরবান যেতে ২ থেকে ৩টি র“ট ব্যবহার করতে পারেন। ঢাকা থেকে ট্রেনে বা বাসে প্রথমে চট্টগ্রাম। তারপর চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান।

ঢাকা থেকে বান্দরবান: ঢাকা থেকে বান্দরবান পর্যন্ত বিভিন্ন পরিবহনের বাস ছাড়ে কলাবাগান, আরামবাগ ও ফকিরাপুল থেকে। এসি ও নন এসি সার্ভিস দুটো সার্ভিসই রয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান: বহদ্দারহাট টার্মিনাল থেকে বান্দরবানের বাস ছাড়ে। পূরবী এবং পূর্বাণী নামে দু’টি সার্ভিস আছে, ৩০ মিনিট পর পর নন এসি বাস ছাড়ে। ভাড়া জনপ্রতি- ৭০ টাকা।

খাবার-দাবার

বান্দরবান শহরে বিভিন্ন ধরণের খাবার হোটেল আছে। বাঙ্গালী খাবারের পাশাপাশি মিলবে উপজাতিদের খাবারও। তবে, খাবারের মানের চেয়ে দাম একটু বেশি।

 

এই বিভাগের আরো খবর

সরকারি অর্থে আকাশপথ ভ্রমণে বিমান বাংলাদেশ বাধ্যতামূলক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি অর্থে আকাশ পথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। বুধবার...

সরকারি অর্থে আকাশপথ ভ্রমণে বিমান বাংলাদেশ বাধ্যতামূলক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি অর্থে আকাশ পথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। বুধবার...

ছুটিতে অল্প খরচে নেপাল ভ্রমণ

ডেস্ক প্রতিবেদন: হিমালয়কন্যা বলা হয় নেপালকে। নেপাল শুধু পর্যটকদের জন্য স্বর্গসম নয়, সারা পৃথিবীর পর্বতারোহীদের রাজধানী বললেও বাড়িয়ে বলা...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is