ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-22

, ১১ মহাররম ১৪৪০

বিদেশী যন্ত্রপাতি

অবিকল তৈরিতে সক্ষম জিঞ্জিরার কারখানাগুলো

প্রকাশিত: ১০:৫৩ , ১৪ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ১১:৪৫ , ১৪ অক্টোবর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: জিঞ্জিরায় কি পাওয়া যায় বা তৈরি হয় সেই তালিকা বলার চাইতে কি চান তা-ই খোঁজে পেতে বলা সহজ। গত তিন দশকে জিঞ্জিরায় গড়ে উঠেছে ছোট বড়ো কয়েক হাজার শিল্প প্রতিষ্ঠান। নিত্যপ্রয়োজনীয় বহু পণ্য থেকে শুরু করে বিলাসবহুল জিনিসের অপরিহার্য অংশ পাওয়া যায়, যা দেখতে অবিকল আসলের মত। কালক্রমে জিঞ্জিরার নির্মিত শিল্প পণ্যের তালিকায় যেমন যুক্ত হয়েছে নতুন সামগ্রী, তেমনি  হারিয়েছেও অনেক।

দু’দশক আগেও এমন সব যন্ত্রপাতির জন্য শিল্পোদ্যোক্তদের নির্ভরতা ছিল জার্মানি, জাপান বা অন্য কোন উন্নত দেশের ওপর। জিঞ্জিরা সেই পরনির্ভরতা দূর করেছে। প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান বা শিক্ষা ছাড়া এখানের কারিগররা নিজস্ব প্রযুক্তি ও কৌশলে ভারি শিল্পের এমনসব যন্ত্রপাতি তৈরি করছেন। চীন, জাপানে তৈরি যন্ত্রাংশের অবিকল জিনিস, এমনকি ব্যয়বহুল পণ্যও তৈরি এখানে যেন মামুলি ব্যাপার। আর এর কাঁচামাল মূলত মানুষের ফেলে দেওয়া পুরনো সামগ্রী। ফলে উৎপাদন ব্যয়ও কম।

ঘরে ঘরে রান্নার সরঞ্জাম যেমন- হাড়ি, কড়াই, ঢাকনা, দা-বঁটি যেমন তৈরি হয়, তেমনি লক্ষ- কোটি টাকার গাড়ি বা বিলাসবহুল কোনো পণ্যের ব্যয়বহুল ও দু®প্রাপ্য যন্ত্রাংশও তৈরি সম্ভব। এমন অনেক পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয় পরিত্যক্ত জাহাজের অ্যালুমিনিয়াম।

আসল পণ্যের অবিকল জিনিস বানাতে পারার নিপুণ দক্ষতা জিঞ্জিরাকে সমালোচনার মুখেও ফেলেছে। নকল পণ্যের সরবরাহকারী হিসেবে নেতিবাচক ধারণা একসময় থাকলেও তা পাল্টেছে বলে অনেকের পর্যবেক্ষণ। বরং জিঞ্জিরার কারিগরদের সম্পদ বিবেচনার পরামর্শ অনেকের।

একময়ে জিঞ্জিরার প্রসিদ্ধ হাতে তৈরি ঢেউটিন, হারিকেন, হুক্কা শিল্প বিলুপ্ত। ঐতিহ্যবাহী এই বেত এবং পিতল কারখানা গুলোও অনেকটাই বন্ধের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে। ধাতব এবং প্লাস্টিক পণ্যের ওপর নির্ভরতার ফলে জিঞ্জিরার দু’শ বছরের ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও গুড়ি কাঠের ব্যবসাও প্রায় গুটিয়ে গেছে।

তৈরি পোশাক কারখানার টুকরা কাপড় বা ঝুট নির্ভর শিল্প জিঞ্জিরায় বেশ প্রতিষ্ঠিত। ১৫ বছর ধরে এটা গড়ে উঠেছে পরিকল্পিত ভাবে।  

এখানের উদ্যোক্তা ও কারিগররা বলছেন, সময়ের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতাকে শাণিত করে থাকে অনানুষ্ঠানিক ভাবে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is