ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-20

, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

জিঞ্জিরায় কি-না মেলে!

যা চাইবেন তাই বানিয়ে দিতে পারে জিঞ্জিরার কারিগররা

প্রকাশিত: ১০:৩৫ , ১৪ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ০৩:২৮ , ১৪ অক্টোবর ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাজারে দুষ্প্রাপ্য, এমন পণ্য পাবার নিশ্চয়তা হিসেবে অন্যেরা পরামর্শ দিতেন জিঞ্জিরা যেতে। জিঞ্জিরায় কি-না মেলে- এমন ধারণা প্রচলিত যুগের পর যুগ ধরে। যদি না-ও থাকে বাস্তবে, কি চান বললেই বানিয়ে দিতে পারবেন জিঞ্জিরার কারিগররা।

বহু মানুষের কাছে কল্পনার জিঞ্জিরা ঢাকার শেষে বুড়িগঙ্গার অপর তীরে কেরানীগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামীণ জনপদ। কয়েকশত বছর আগে, যখন নবাবদের শাসনামল ছিল, তখন ঢাকার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে প্রসিদ্ধ হয়ে ওঠে এই গ্রাম। বিগত পঞ্চাশের দশকেও জিঞ্জিরায় বাঁশ, কাঠ, ঢেউটিন, পাট ও পাটজাত পণ্যের রমরমা বাজার ছিল। নৌপথে যোগাযোগের সুব্যবস্থা থাকায় সারাদেশ থেকে পাইকাররা এখান থেকে পণ্য নিয়ে খুচরা বাজারে বিক্রি করতেন। তাই বুড়িগঙ্গার তীরে ছিল কয়েকটি কাঠের নৌযান মেরামতের ডকইয়ার্ড।

জিঞ্জিরা নামটির পেছনে গিয়ে কয়েকশত বছর আগের মর্মান্তিক ঐতিহাসিক ঘটনার সম্পর্ক খোঁজে পাওয়া যায়। ১৭৫৭ সালে পলাশী যুদ্ধে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পতনের পর তার পরিবারের সদস্যদের এসব প্রাসাদে বন্দী করে রাখা হয়েছিল শেকল বা জিঞ্জির পরিয়ে। সেখান থেকে নাম হয় জিঞ্জিরা।

বাণিজ্যের বড় কেন্দ্র বলে জিঞ্জিরায় নানান ধাতব এবং মাটির পণ্যের বাজার জমতে শুরু করে ১৯৫৫ সালে। যার পথ ধরে  পরে গড়ে উঠতে থাকে ধাতব পণ্যের ছোটো ছোটো কারখানা, যা গত অর্ধশতাধিক বছরে শিল্পে রূপ নিয়েছে। উৎপাদিত পণ্যের নামে এখানের মানুষ মুখে মুখে নামকরণ করেছে জিঞ্জিরা ইউনিয়নের নানা এলাকার।

আশির দশকের শেষ দিকে পুরোনো লোহা ও বিভিন্ন ধাতু নির্ভর বেশ কিছু বড় কারখানা গড়ে ওঠে। পর্যায়ক্রমে যার বি¯তৃতি ঘটেছে কেবল। বিপুল সম্ভাবনা আর স্বপ্নের গল্পও আলোচিত হয়েছে এই জিঞ্জিরাকে নিয়ে।   

স্বপ্নের দিগন্ত এতটাই বি¯তৃত হয়েছিল যে বিশ্বের বুকে “মেড ইন জিঞ্জিরা” লেবেল দিয়ে পণ্য বাজারজাত করার সম্ভাবনার কথাও ভাবা হতো।

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is