ঢাকা, শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-22

, ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০

সভ্যতার সাক্ষী উয়ারী-বটেশ্বর

প্রকাশিত: ০৫:৩৫ , ১২ অক্টোবর ২০১৭ আপডেট: ০৫:৩৫ , ১২ অক্টোবর ২০১৭

ডেস্ক প্রতিবেদন: কাজের চাপে অস্থির, ছুটে যেতে চান শহর থেকে দূরে কোথাও। চলে যেতে পারেন প্রাচীন সভ্যতার সাক্ষী উয়ারী-বটেশ্বরে। নামটি শুনেই হয় তো আপনার চোখের সামনে ভেসে আসছে প্রতœতাত্ত্বিক কোনো নিদর্শন।

ঢাকা থেকে মাত্র ৭০ কিলোমিটার দূরে নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলার তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী-বটেশ্বর। উয়ারী ও বটেশ্বর ছিল দুটি আলাদা জায়গা, যেখানে বসবাস ছিল বিখ্যাত গঙ্গারিডি জাতির। উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগরকেন্দ্র। উয়ারী-বটেশ্বরে আড়াই হাজার বছরের প্রতœ নিদর্শন আবিষ্কারের কাহিনী একটি জনপদের অস্তিত্বের কথা প্রমাণ করে দেয়। এখন পর্যন্ত প্রায় সব প্রতœতত্ত্ববিদই একে ওই জনপদের রাজধানী বলে আখ্যায়িত করেছেন। স্বীকৃতি দিয়েছেন রৌপ্যমুদ্রা প্রাপ্তির স্থান হিসেবে উয়ারী-বটেশ্বরে।

প্রতœতাত্ত্বিক খননে উয়ারীতে পাওয়া গেছে চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর। দুর্গ প্রাচীরের পাঁচ-সাত ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে। এ ছাড়া দুর্গের চারদিকে রয়েছে পরিখা। যা কি না এখনো তার অস্তিত্বের জানান দেয় রেখে যাওয়া রেখাগুলো দিয়ে। দুর্গের পেছনে অসম রাজার গড় নামে একটি মাটির বাঁধ রয়েছে। এটি ব্যবহৃত হতো রাজা ও তাঁর রাজ্যের প্রতিরক্ষার কাজে।

উয়ারী দুর্গনগরীর কাছাকাছি এ যাবৎ আবিষ্কৃত অর্ধশতাধিক প্রতœতাত্ত্বিক স্পট থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রতœবস্তুর দেখা পাওয়া যায়। এগুলো দেখলে অচিরেই বলা যায়, এখানকার অধিবাসীরা ছিল কৃষিজীবী। তাদের উৎপাদিত ফসল নগরে বসবাসরত রাজা, রাজকর্মচারী ও ধনীদের খাদ্যচাহিদা পূরণে ব্যবহার করা হতো।

দেখতে পাবেন স্বল্প মূল্যবান পাথরের গুটিকা, কাঁচের গুটিকা, রৌপ্যমুদ্রা, টিনমিশ্রিত ব্রোঞ্জ নির্মিত কিছু পাত্র। ধাতুর তৈরি অস্ত্রগুলো দেখলে কল্পনা করে ফেলবেন সেই সভ্যতার ইতিহাস। মাটির দেয়ালগুলোতে দেখতে পাওয়া যায় তখনকার কারিগরি শিল্প। গঙ্গারিডির জীবনযাপন পদ্ধতি সম্পর্কেও পেয়ে যাবেন ধারণা।

কীভাবে যাবেন

সায়েদাবাদ কিংবা মহাখালী থেকে সরাসরি যেতে পারবেন নরসিংদীর বেলাবোতে। সায়েদাবাদ থেকে মনোহরদী পরিবহনে গেলে মরজাল বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে। ভাড়া ১০০ টাকা। সেখান থেকে হেঁটে বা রিকশায় উয়ারী-বটেশ্বর। মহাখালী থেকেও যেতে পারেন বাদশা কিংবা চলন বিল পরিবহনে। ভাড়া একই।

 

এই বিভাগের আরো খবর

প্রকৃতির নিস্বর্গ শিলং

ডেস্ক প্রতিবেদন: শিলং উত্তর-পূর্ব ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ৯০৮ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত শিলং-এ প্রচুর বৃষ্টিপাত...

অবসরে ঘুরে আসুন জিন্দা পার্ক

ডেস্ক প্রতিবেদন: নগর জীবনের যান্ত্রিক কোলাহল ছেড়ে একটুখানি শান্তির পরস পেতে কার  না মনে চায়। আর তাই একটুখানি শান্তির ছোঁয়া পেতে অবসরে...

মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স 

ডেস্ক প্রতিবেদন: মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স বান্দরবান জেলার প্রবেশ পথে বান্দরবান-কেরাণীহাট সড়কের পাশে পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায়...

বান্দরবানের অন্যতম আকর্ষণ বগালেক

ভ্রমণ ডেস্ক: বগাকাইন লেক বা বগালেক বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে কেওক্রাডং পাহাড়ের কোল ঘেসে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায়...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is